মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর হাতে রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী জনমত বাড়ছে। ইতোমধ্যে তাদের নিরাপত্তায় ওই দেশের সরকারের প্রতি জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশ, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা ও ব্যক্তি আহ্বান জানিয়েছে।
জাতিসংঘ ও জাতিসংঘ মহাসচিব, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, ভ্যাটিকান ও পোপ, অর্গানাইজেশন ফর ইসলামিক কনফারেন্স (ওআইসি), জাতিসংঘ হাই কমিশন ফর রিফিউজিসহ অন্যান্য অনেক সংস্থা ও ব্যক্তি রোহিঙ্গা নির্যাতনের খবরে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এক প্রতিবেদনে বলেছে, ‘স্যাটেলাইট ডাটা অনুসারে রাখাইনে অন্তত ১০টি অঞ্চলে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।’ নিরপেক্ষ সংস্থার মাধ্যমে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বানও জানিয়েছে সংস্থাটি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সরকারের ঊর্ধ্বতন এক একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন জায়গা থেকে জানতে পারছি রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও সহায়তা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সংস্থা মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।’
এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের পলিটিক্যাল ও সিকিউরিটি কমিটি আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে তাদের বৈঠকে রোহিঙ্গা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা জন্য এজেন্ডায় রাখবে। এছাড়া জাতিসংঘে তাদের সম্মিলিত স্টেটমেন্টে রোহিঙ্গা বিষয়টি জোরালোভাবে উপস্থাপন করা হতে পারে।’
জাতিসংঘের সদর দফতরে ওআইসি কনট্যাক্ট গ্রুপ ইতোমধ্যে রোহিঙ্গা বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জাতিসংঘের মহাসচিবের সময় চেয়েছেন এবং আশা করা হচ্ছে— দ্রুত বৈঠকটি হবে।
এদিকে, সোমবার (২৮ আগস্ট) জাতিসংঘের মহাসচিব এ্যান্টনিও গুটেরেস এক বিবৃতিতে বলেছেন, রাখাইন প্রদেশে সহিংস ঘটনার মূল কারণ খুঁজে বের করার ওপর জোর দিয়েছেন এবং অসহায় মানুষদের আশ্রয় ও নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য মিয়ানমারকে আহ্বান জানিয়েছেন।








