খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বুধবার সন্ধ্যায় মিয়ানমার গেছেন। ফিরে আসবেন ৯ সেপ্টেম্বর শনিবার।মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে বছরে ১০ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানি করতে চুক্তি তিনি মিয়ানমার গেছেন। সরকার আগামী কয়েক বছরের জন্য চাল আমদানির এ চুক্তিটি করতে চায় বলে বাংলা ট্রিবিউনকে জানায় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র। সব কিছু ঠিক থাকলে এবারের সফরেই মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে এ উদ্দেশ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করবেন তিনি। তবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে চুক্তির বাইরেও দুই লাখ টন চাল আমদানির বিষয়টি নিয়েও সেদেশের সরকারের সঙ্গে কথা বলবেন।
খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সরকার আপাতত ভিয়েতনাম,কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের মতো পাঁচ বছরের জন্য এ চুক্তিটি করতে চায় মিয়ানমারের সঙ্গে।আমদানিকৃত চালের দর নির্ধারিত হবে আন্তর্জাতিক বাজার দর অনুযায়ী।চাল আমদানির পরিমাণ ঠিক হলেও চূড়ান্ত হয়নি চুক্তির মেয়াদ ও আমদানি করা চালের দর। এমওইউ স্বাক্ষরের আগে চুক্তির মেয়াদ ও দর নির্ধারণ পদ্ধতি ঠিক করবেন দুদেশের মন্ত্রী। ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ড প্রতিটি দেশ থেকে বছরে ১০ লাখ মেট্রিক টন করে চাল আমদানির উদ্দেশ্যে ইতিমধ্যেই সমঝোতা স্মারক সাক্ষরিত হয়েছে।
৬ সেপ্টেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম মিয়ানমারের রাজধানী নেপিদো’র উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়ে গেছেন। সঙ্গে রয়েছেন পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল। এই দলে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আতাউর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক তোফাজ্জেল হোসেন, মন্ত্রীর একান্ত সচিব ও মন্ত্রীর স্ত্রীও রয়েছেন। প্রতিনিধিদলের এই সফরের খরচ রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে ব্যয় হলেও মন্ত্রীর স্ত্রীর খরচ কামরুল ইসলামের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় হবে বলে জানিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম মিয়ানমারের খাদ্য ও বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পৃথক বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকার জি টু জি পদ্ধতিতে ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ডের পর এবার একই পদ্ধতিতে মিয়ানমার থেকে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সময় সুযোগ হলে খাদ্যমন্ত্রী মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা ও সেদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অং সান সুচির সঙ্গেও সাক্ষাত করবেন বলে জানা গেছে।








