সারা দেশের জনগণের কাছে সরকারের সাফল্য তুলে ধরতে দলের সাংগঠনিক সম্পাদকদের নির্দেশ দিয়েছে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘জনগণের কাছে সরকারের সাফল্য তুলে ধরুন। তাহলে ভোটাররা আগামী নির্বাচনে আপনাদের নিরাশ করবে না।’ বৃহস্পতিবার রাতে গণভবনে আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে উপস্থিত চার জন নেতা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বৈঠকে আওয়ামী লীগের ৮ জন সাংগঠনিক সম্পাদকের মধ্যে মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ছাড়া সবাই উপস্থিত ছিলেন।
দলীয় নেতাদের এলাকায় যাওয়ার নির্দেশ দিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘আপনারা এলাকায় যান, জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্তি হোন। তাদের কথা শুনুন। আমি একা তো ৩০০ আসনে নির্বাচন করে দিতে পারব না। আপনাদের যার যার আসনে তাকেই নির্বাচন করতে হবে।’
দলের নতুন সদস্য সংগ্রহের অগ্রগতি সম্পর্কে সাংগঠনিক সম্পাদকের কাছে প্রধানমন্ত্রী জানতে চাইলে তারা বলেন, শোকের মাস আগস্টের কারণে সদস্য সংগ্রহ অভিযান স্থগিত আছে। চলতি মাস থেকে আবার শুরু হবে।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে সাংগঠনিক সম্পাদকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সদস্য সংগ্রহ, জেলা, থানা, ইউনিন কমিটিসহ সব সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড আগামী নির্বাচনের আগে দ্রুত শেষ করতে হবে।’
আগামী নির্বাচনে প্রতিটি আসন থেকে আওয়ামী লীগের একাধিক জন প্রার্থী হতে চান—একজন সাংগঠনিক সম্পাদকের এমন বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় সভাপতি বলেন, ‘আপনারা কাজ করে যান। যোগ্য ব্যক্তিকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে।’
কোন দেশে কত রোহিঙ্গা আছে, প্রধানমন্ত্রী জানতে চাইলে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারুক খান সৌদি আরব, মালদ্বীপ, চীন, ভারতে যাওয়া রোহিঙ্গাদের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে আগে থেকেই ২ লাখের মতো আছে।’ জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এবার আরও এক থেকে দেড় লাখের মতো যোগ হবে।’
এছাড়া বৈঠকে ৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবস ও ১৮ অক্টোবর শেখ রাসেলের জন্মদিন পালনের কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়।








