
ডাকাতির অভিযোগে দুই যুগ আগে দায়ের হওয়া এক মামলায় দুইজনকে ১৫ বছরসহ আরও ৪জনকে ১০ বছর কারাদণ্ড দিয়েছে চট্টগ্রামের একটি আদালত। মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) চট্টগ্রাম পঞ্চম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. নূরে আলম এ রায় দেন। একই রায়ে আদালত আসামিদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট লোকমান হোসেন চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।আসামিদের সবাই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন বলে তিনি জানান।
দণ্ডিতরা হলেন, আবুল কাশেম, বাদশা মিয়া, নুরুল আমিন, আবুল বশর, সাইফুল্লাহ ও আহমেদ উল্লাহ। আসামিদের মধ্যে আবুল কাশেম ও বাদশা মিয়াকে ১৫ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অন্যদের ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
অ্যাডভোকেট লোকমান হোসেন চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘১৯৯৩ সালে দায়ের হওয়া ডাকাতির মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর আদালত ৬ জন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, ‘যেই দু’জন আসামিকে ১৫ বছর কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে তারা ডাকাতির পর হাতেনাতে ধরা পড়েন। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩৯৫, ৩৯৭ ও ৪১২ ধারায় চার্জ গঠন করা হয়। অপর চারজনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩৯৫ ও ৩৯৭ ধারায় চার্জ গঠন করা হয়।’
আদালত সূত্র জানায়, ১৯৯৩ সালের ১৭ এপ্রিল রাতে সীতাকুণ্ড উপজেলার দক্ষিণ কলাবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা শাহ আলমের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতি শেষে পালিয়ে যাওয়ার পথে জনতা দুই ডাকাতকে ধরে গণপিটুনি দেয়। পরে এ ঘটনায় শাহ আলমের স্ত্রী শামসুন্নাহার থানায় মামলা দায়ের করেন। ১৯৯৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি গণপিটুনি দেওয়া দুই জনসহ সাতজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। ২০০০ সালের ৩ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। আট জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত আজ মঙ্গলবার এ রায় দেন।








