মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের গ্রামগুলো পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এবং সেখানে এখন কেউ নেই বলে এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছেন ২০ দেশের কূটনীতিকরা। রোহিঙ্গা গ্রামগুলো পরিদর্শন শেষে দেওয়া এক বিবৃতিতে তারা এ কথা বলেন।
মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) মিয়ানমার সরকারের সহযোগিতায় রাখাইন রাজ্য পরিদর্শন করেন কূটনীতিকরা। তারা বলেন, ‘আমরা দেখেছি গ্রামগুলো পুড়ে গেছে এবং সেখানে কোনও মানুষজন নেই... সেখানকার সহিংসতা অবশ্যই থামাতে হবে।’
কূটনীতিকরা বলেন, ‘আমরা সেখানে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় দেখেছি। আমরা আবারও মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, সেখানে যেন মানুষ নির্বিঘ্নে বসবাস করতে পারে। পাশাপাশি ওই রাজ্যে জীবনরক্ষাকারী সেবা পৌঁছাতে হবে এবং অন্য রাজ্যের সঙ্গে কোনও বৈষম্য রাখা যাবে না।’
রাখাইনের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর দেশটির সেনাবাহিনীর সহিংসতা চালানো ৫ সপ্তাহ পর সেখানে বিদেশি কূটনীতিকরা যাওয়ার অনুমতি পেলেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সেনাবাহিনীর উচিত কোনও প্রকার বৈষম্য না করে রাখাইনের সবার জান-মাল রক্ষা করা। তারা বলেন, এই সহিংসতার বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ে বিশেষজ্ঞদের দ্বারা তদন্ত হওয়া উচিত এবং তাদের এই পরিদর্শন কোনও তদন্ত মিশন ছিল না।
কূটনীতিকরা আরও বলেন,‘আরসা ২৪ আগস্ট যে হামলা করেছিল সেজন্য আমরা নিন্দা জানাই। তবে এজন্য যে সহিংসতা ও ব্যাপক সংখ্যক মানুষকে দেশত্যাগ করতে হয়েছে তার জন্য গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি।’
যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন, ব্রিটেন, জার্মানি, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড, নরওয়ে, সার্বিয়া, সুইজারল্যান্ড, তুরস্ক, স্পেন, সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের কূটনীতিকরা এই সফরে অংশ নেন। খবর বাসস।








