ঢাকার বেদখল হওয়া খাল ও জলাশয়গুলো পুনরুদ্ধার করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। ররিবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই সুপারিশ করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম হীরা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ঢাকার খাল ও জলাশয়গুলো বেদখল হয়ে ভরাট হওয়ায় বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। এ জন্য কমিটি খাল ও জলাশয়গুলো পুনরুদ্ধারের সুপারিশ করেছে। তবে, এ ধরনের সুপারিশ আগেও করা হয়েছিল। সংসদীয় কমিটি বিভিন্ন সময় মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ঢাকা সিটি করপোরেশন, ঢাকা জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়কে বলেছে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নিতেও দেখা গেছে।’
সূত্র জানায়, বৈঠকে কমিটির একজন সদস্য বলেন, তুরাগ পাড়ে যে জায়গায় বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়, তার পাশে পানি সঞ্চালনের জায়গা আবর্জনা ফেলে ক্রমে ভরাট করা হচ্ছে। তুরাগ নদীর বিভিন্ন জায়গা বেদখল হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া রাজধানীর ভেতরেও বিভিন্ন জলাশয়ে আবর্জনা ফেলে ফেলে ভরাট করে তা দখল করার ঘটনা ঘটছে। এতে একদিকে জলাশয় বেদখল হয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে বর্ষায় জলাবদ্ধতা বাড়ছে।’
বৈঠকে জানানো হয়, রাজধানীর নন্দীপাড়া ত্রিমুখী খালের ২১৮টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। আদি বুড়িগঙ্গায় বালি ও মাটি ফেলে দখল করা কিছু খাস জমি উদ্ধার করা হয়েছে।
সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সিএস-পরবর্তী জরিপগুলোতে ভাওয়াল রাজ এস্টেটের যে সমস্ত জমি ব্যক্তির নামে রেকর্ড হয়েছে, তার বিস্তারিত বিবরণ প্রস্তুত করার সুপারিশ করেছে কমিটি।
কমিটির সভাপতি মো. রেজাউল করিম হীরার সভাপতিত্বে কমিটি সদস্য সাইফুজ্জামান চৌধুরী, মো. মকবুল হোসেন, এ কে এম মাঈদুল ইসলাম, জাহান আরা বেগম ও গাজী ম ম আমজাদ হোসেন বৈঠকে অংশ নেন।








