
বগুড়ার বাঙ্গালী নদী থেকে আইন বহির্ভূতভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বাঙালী নদী থেকে আইন বহির্ভূতভাবে ও যান্ত্রিক পদ্ধতিতে বালু উত্তোলন বন্ধে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং নদীর তীরবর্তী কৃষিজমি, বাড়িঘর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ক্ষতিপূরণ দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।
এক আবেদনের শুনানি নিয়ে রবিবার (২২ অক্টোবর) বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এ ব্যাপারে দ্রুত সময়ের মধ্যে ভূমি সচিব, পরিবেশ ও বন সচিব, জাতীয় নদীরক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক, বগুড়া জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, পরিবেশ অধিদফতরের (রাজশাহী) পরিচালক, ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি), ধুনট সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে জনস্বার্থে রিট আবেদন করে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)। বেলার পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মিনহাজুল হক চৌধুরী, সঙ্গে ছিলেন সাঈদ আহমেদ কবীর। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।
পরে সাঈদ আহমেদ কবীর জানান, অপরিকল্পিত ও অনিয়ন্ত্রিতভাবে ভারি যান্ত্রিক মেশিনের সাহায্যে বাঙ্গালী নদী থেকে বালু উত্তোলনের ফলে ওই এলাকার পরিবেশ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একইসঙ্গে ইজারা বহির্ভূতভাবে যত্রতত্র বালু উত্তোলনের ফলে আশেপাশের তিনটি গ্রামের নদী সংলগ্ন কৃষিজমি, বসতবাড়ি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে এবং এলাকার একমাত্র শ্মশান ঘাটটিও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
তিনি জানান, এ অবস্থায় বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) বাঙ্গালী নদীর তীরবর্তী স্থানের মৌজাগুলো থেকে বালু উত্তোলন বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করা হয়। আদালত এ আবেদনের শুনানি নিয়ে আজ এ আদেশ দিয়েছেন।








