চার ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ অ্যাওয়ার্ড পেলো চার পৌরসভা। দেশের এই চারটি পৌরসভা হলো গোপালগঞ্জ, নীলফামারী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও ফুলপুর।
রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ‘সিটিস ফোরাম: বিল্ডিং নলেজ নেটওয়ার্ক অ্যান্ড পার্টনারশীপ ফর সাসটেইনেবল আরবান ডেভলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারের শেষ দিনে এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। বিশ্বব্যাংক শনিবার ও রবিবার দুই দিনব্যাপী এই সেমিনারের আয়োজন করেছিল।
অনুষ্ঠানের সার্বিক সহোযোগীতায় ছিল মিউনিসিপল অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ম্যাপ), বাংলাদেশ ইন্সস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি), বাংলাদেশ স্থপতি ইন্সটিটিউট, ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউট এবং সুইস এজেন্সি। সেমিনারে দেশি-বিদেশি তিন শতাধিক মেয়র অংশ নেন।
সেমিনারের সমাপনী দিনে সারাদেশ থেকে চারটি পৌরসভাকে চারটি ক্যাটাগরিতে বেস্ট পৌরসভা অ্যাওয়ার্ড ২০১৭ দেওয়া হয়। অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বিজয়ী পৌরসভার মেয়রদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
ক্যাপিটাল ইনভেস্টম্যান্ট প্ল্যানিং ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয় গোপালগঞ্জ পৌরসভা। গোপালগঞ্জ পৌরসভার মেয়র কাজী লিয়াকত আলী পুরস্কার গ্রহণ করেন। পাবলিক ফিন্যান্সিয়াল ম্যানেজম্যান্ট ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয় ফুলপুর পৌরসভা। এই পৌরসভার মেয়র আমিনুল হক পুরস্কারটি গ্রহণ করেন। সিটিজেন এনগেজমেন্ট ক্যাটাগরিতে নিলফামারী পৌরসভা বিজয়ী হয়। এই পৌরসভার মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ পুরস্কারটি গ্রহণ করেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা বিজয়ী হয়েছে গুড গভর্নেন্স ক্যাটাগরিতে। মেয়র নজরুল ইসলাম পুরস্কারটি গ্রহণ করেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে পুরস্কার বিতরণের পর অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইন্সস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স’র সভাপতি ডা. এ কে এম আবুল কালাম, বাংলাদেশ স্থপতি ইন্সস্টিটিউটের সভাপতি কাজী গোলাম নাসির, ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সস্টিটিউটের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. কবির আহমেদ ভূইয়া, বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশের অপারেশন ম্যানেজার রাজশ্রী এস পারেলকারসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে টেকসই নগর উন্নয়নে বাংলাদেশের সব মেয়রদের একত্রে কাজ করতে হবে বলে মত প্রকাশ করেছেন নগর ও নগর ভাবনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশি-বিদেশি বক্তারা। তারা বলেন, মেয়ররা একত্রিত হয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে নগরীর বিভিন্ন উন্নয়নে কাজ করতে পারেন। বিশ্বের সব উন্নত রাষ্ট্রের নগরীগুলোতেও নানা সমস্যা ছিল, ওই সব নগরীর মেয়ররা তাদের সমস্যার সমাধান করতে পেরেছেন। একইভাবে ঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে নগরীর সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিলে বাংলাদেশের চিত্রও পাল্টে যাবে।








