তরুণ প্রজন্মকে রাজনীতিতে আগ্রহী করে তুলে সংসদীয় রাজনীতিতে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশন (সিপিএ) বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক এ সংস্থাটির চেয়ারপারসন ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘তরুণ প্রজন্ম রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হলে আইন প্রণয়ন ও নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।’
বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) রাজধানীর হোটেল র্যা ডিসনে ‘৩৬তম স্মল ব্রাঞ্চেস কনফারেন্সে’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পিকার এসব কথা বলেন।
স্মল ব্রাঞ্চেস দেশগুলো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে বৃহত্তর স্বার্থে কাজ করবে উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, ‘সংসদীয় গণতন্ত্রের চর্চা, দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে স্মল ব্রাঞ্চেস দেশগুলোর সঙ্গে একযোগে কাজ করে যাচ্ছে সিপিএ। এই কনফারেন্সের মাধ্যমে স্মল ব্রাঞ্চেস দেশগুলোর এক হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর মাধ্যমে এসব দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সম্ভব হবে,যা পরবর্তী সময়ে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
জেন্ডার সমতা ও সব ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেও সিপিএ ভূমিকা রাখছে বলে উল্লেখ করেন শিরীন শারমিন।
অনুষ্ঠানে স্পিকার আরও বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন জীবনযাত্রাকে পরিবর্তন করে দিচ্ছে। বাংলাদেশ জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত কারণে ক্ষতির হুমকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। প্যারিস চুক্তির আলোকে জলবায়ুর অভিঘাত ও ক্ষতি মোকাবেলায় উন্নত দেশগুলোকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
সিপিএ চেয়ারপারসন বলেন, ‘দুর্নীতি প্রতিরোধে পার্লামেন্টের ভূমিকা রয়েছে। জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পাশাপাশি সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। এ লক্ষ্যেও কাজ করছে সিপিএ’র পার্লামেন্টগুলো।’
সিপিএ সেক্রেটারি জেনারেল আকবর খান অনুষ্ঠানে বলেন, ‘স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও তরুণ প্রজন্মকে রাজনীতিতে আগ্রহী করে তুলতে সিপিএ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।’
অনুষ্ঠানে সিপিএ স্মল ব্রাঞ্চ চেয়ারপারসন ও মাল্টা সংসদের স্পিকার অ্যাঞ্জেলো ফারুগিয়া অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পরিবেশ সচেতনতা সংক্রান্ত মনোমুগ্ধকর একটি নৃত্যনাট্য পরিবেশিত হয়। এতে সচেতনতামূলক বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়।








