রাজধানীর পিলখানা হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স, সাজা বাতিলে আসামিপক্ষের আপিল এবং আসামিদের খালাসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের ওপর রায় পড়া চলছে। রবিবার (২৬ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৫৬ মিনিটে বিচারপতি মো. শওকত হোসেন, বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ মামলার রায় পড়া শুরু করেন।
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানার বিডিআর সদর দফতরে ৫৭ জন সেনা সদস্যসহ ৭৪ জনকে হত্যার দায়ে ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান মামলার রায় দেন।
বিচারিক আদালতের রায়ে ১৫২ জন বিডিআর সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন, ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে (৩-১৭ বছর পর্যন্ত) কারাদণ্ড এবং ২৭৮ জনকে খালাস এবং চার আসামি বিচার চলাকালে মারা যাওয়ায় তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়।
খালাসপ্রাপ্ত ২৭৮ জনের মধ্যে ৬৯ জন আসামির সাজা চেয়ে হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল দায়ের করে রাষ্ট্রপক্ষ। আর দণ্ডপ্রাপ্ত ৪১০ আসামির সাজা বাতিল চেয়ে রায়ের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আপিল দায়ের করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।
২০১৫ সালের ১৮ জানুয়ারি থেকে বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিশেষ (বৃহত্তর) বেঞ্চে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শুরু হয়ে গত ১৩ এপ্রিল তা শেষ হয়। এরপর যে কোনও দিন রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখেন হাইকোর্ট। পরে গত ৯ নভেম্বর মামলাটি রায়ের জন্য রবিবার (২৬ নভেম্বর) দিন ধার্য করেন হাইকোর্ট।
আরও পড়ুন:
স্বাধীন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হত্যাযজ্ঞ পিলখানায়








