জঙ্গিবাদ ইস্যুতে পুলিশের প্রেস বিফ্রিংয়ের সমালোচনা করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে মিন্টো রোডে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের কনফারেন্স হলে এক মতবিনিময় সভায় পুলিশের প্রেস ব্রিফিং ‘রেসপন্সিবল’ হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।
‘পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন ও দায়িত্বশীল পর্যটন’ বিষয়ক মতবিনিময় সভাটির আয়োজন করে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড। সেখানে রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘পত্রিকায় হেডিং হয়ে গেলো, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে হামলা করতে যাচ্ছে পাইলট। দেশে ওআইসির ট্যুরিজম মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্স হবে, তাদের লোকজন এসেছে। তারা বলছে, এ ধরনের অবস্থা তোমাদের দেশে! এ ক্ষেত্রে তোমরা ট্যুরিজমের কনফারেন্স কিভাবে করবে? এই যে পাইলটের হামলার ঘটনা, এটা কতখানি সত্য, কতখানি অসত্য?’
মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পুলিশও তাই। তারা আউট অব… তারাও প্রতিদিন সংবাদ সম্মেলন করেন, কথা বলেন। ফলে বিষয়গুলো বিপজ্জনক জায়গায় দাঁড়িয়ে যায়। এগুলো আমার ব্যাপার না। তবুও আমরা তথ্য মন্ত্রণালয়কে বলেছি এগুলো দেখার জন্য। কোনও রেস্ট্রিকশন দেওয়ার জন্য নয়, একটু রেসপন্সিবল হওয়ার জন্য বলেছি।’
গণমাধ্যমকেও তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমাদের ইন্টার্নাল ট্যুরিজমের ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা হয়নি। কিন্তু গত এক বছরে ইন বাউন্ড আমাদের অনেক কম। সেটার কারণ আপনার জানেন। এই ১৬ ডিসেম্বর উপলক্ষেও অস্ট্রেলিয়া, ইউকে ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি দিয়ে বসে আছে। জাপান তো হলি আর্টিজানের পর থেকেই ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি দিয়ে বসে আছে। আমাদের দেশের ট্যুরিস্ট তো বিদেশ যাওয়া সময় খোঁজ নেয় না লন্ডনের রেলের আন্ডারগ্রাউন্ডে বিস্ফোরণ হয়েছে কিনা। কিন্তু বিদেশিরা খবর নিয়ে আসে বাংলাদেশ কতটা নিরাপদ। এ ক্ষেত্রে সংবাদপত্রের বিষয়ে একটু বলতে চাই। কোনও দেশেই দেখবেন না এ ধরনের ঘটনায় লাইভ টেলিকাস্ট হয়। এই যে ম্যানহাইটানে বিস্ফোরণ ঘটে গেলো, সিএনএন কিন্তু ছবিটাও ভালো করে দেখায়নি। আমরা কিন্তু দিনের পর দিন লাইভ টেলিকাস্ট করে যাই।’








