২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন অব্যাহত রয়েছে। বুধবার (৩ জানুয়ারি) ঢাকার দ্রুত বিচার আদালত-১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন সকাল সাড়ে ১১টায় আদালতের কার্যক্রম শুরু করেন। পরে বিকাল পৌনে তিনটায় এদিনের মতো আদালতের কার্যক্রম মূলতবি ঘোষণা করেন।
বুধবার আসামি হানিফ পরিবহনের মালিক মো. হানিফ, বিএনপি নেতা কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, হারিস চৌধুরী ও আনিসুল মুরসালিন ওরফে মুরসালিনের পক্ষে আইনজীবীরা আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। আসামিরা পলাতক থাকায় রাষ্ট্র তাদের জন্য আইনজীবী নিয়োগ করে। এসময় আইনজীবীরা আদালতে আসামিদের খালাস চেয়ে শুনানি শেষ করেন। এরপর অন্যান্য পলাতক আসামিদের পক্ষে আগামী ৯ জানুয়ারি যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ধার্য করেন আদালত।
আদালতের কার্যক্রমের শুরুতেই মো. হানিফের পক্ষে রাষ্ট্র নিয়োজিত আইনজীবী চৈতন্য চন্দ্র হালদার তার অসমাপ্ত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করেন। প্রায় একঘণ্টা যুক্তিতর্ক তুলে ধরে তিনি আদালতের কাছে মামলা থেকে মো. হানিফের খালাস প্রার্থনা করেন।
মামলার আরেক আসামি খলিলের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট খলিলুর রহমান। তিনিও খলিলের বেকসুর খালাস দাবি করেন।
এরপর বিএনপি নেতা মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করেন আইনজীবী আশরাফুল আলম। তিনি প্রায় দেড় ঘণ্টা যুক্তিতর্ক তুলে ধরে কায়কোবাদকে নির্দোষ দাবি করেন এবং তার খালাস প্রার্থনা করেন।
অন্য পলাতক আসামি হারিস চৌধুরীর পক্ষে অ্যাডভোকেট আবু তৈয়ব তার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। আসামি হারিস চৌধুরীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ কোনও সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ আনতে ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করে তিনিও হারিসের খালাস দাবি করেন।
এরপর মুরসালিনের পক্ষে অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন শুনানি করেন। তিনিও তার আসামি মুরসালিনকে নির্দোষ দাবি করে তার খালাস প্রার্থনা করেন।








