ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি ও ডিএনসিসি) আঞ্চলিক কার্যালয়গুলোকে উপেক্ষা করে চলছে প্রধান কার্যালয় নগরভবন। সংস্থা দুটির অঞ্চলগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রশাসনিক কাজ আঞ্চলিক কার্যালয়ের মাধ্যমে পরিচালনা হওয়ার কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। এ নিয়ে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে আঞ্চলিক কার্যালয় ও নগরভবনের মধ্যে। এ ব্যাপারে সংস্থার সংশ্লিষ্ট কার্যালয়গুলো থেকে লিখিতভাবে জানানো হলেও সমস্যার সমাধান হচ্ছে না।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) একজন আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা সংস্থার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে কয়েকবার চিঠি দিয়েছেন। চিঠিগুলোতে তিনি জানান, সংস্থার উন্নয়ন কার্যক্রম, নাগরিক সেবা, রাজস্ব আদায়সহ অন্যান্য কার্যক্রম আঞ্চলিক কার্যালয়ের মাধ্যমে বাস্তবায়ন ও তদারকি হয়ে থাকে। কিন্তু করপোরেশনের কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে আঞ্চলিক কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং কার্যক্রমের সমন্বয় ও ব্যবস্থাপনা অতি জরুরি।
একাধিক আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দুই সিটি করপোরেশনের প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো বিভিন্ন প্রস্তাবের নথিপত্র অনেক ক্ষেত্রে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে পাঠানো হচ্ছে না।
দুই সিটির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের অভিযোগ, দুই সিটির প্রতিটি দফতরের শাখা দফতরগুলো আঞ্চলিক কার্যালয়ের অধীনে। কিন্তু প্রধান দফতর কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে যে কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলে তা আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধানদের (আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা) মাধ্যমে আসার কথা। কেননা, আঞ্চলিক কার্যালয় তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে তাদের মতামত উপেক্ষা করা হচ্ছে। ফলে কার্যালয় নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হচ্ছে। দেখা দিচ্ছে বিশৃঙ্খলা।
জানতে চাইলে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মো. বিলাল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আঞ্চলিক কার্যালয়ের যে কোনও কর্মকাণ্ড আঞ্চলিক কার্যালয়কেই পরিচালনা করতে হয় অথবা তাদের নজরে থাকতে হবে। এক্ষেত্রে যদি কোনও কারণে সমন্বয়ের ঘাটতি থাকে, আমরা ব্যবস্থা নেবো।’
তবে বারবার চেষ্টা করেও ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। সংস্থাটির প্যানেল মেয়র ওসমান গনি এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।








