সারাদেশ থেকে পাওয়া আবেদনপত্র যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হলে কোন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা থাকবে না। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা বাদ পড়বে না।
রবিবার সংসদ ভবনে দশম জাতীয় সংসদের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’র বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়।
বৈঠকে বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য অনলাইনে এবং সরাসরি মোট ১ লাখ ৪২ হাজার ৯৫০ আবেদন পাওয়া গেছে। যা যাচাই বাছাইয়ের জন্য ৪৭০টি কমিটি গঠন করা হয়েছে।এসব আবেদনপত্রের মধ্যে ৩৭৩টি কমিটি থেকে যাচাই-বাছাই প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। ৯৭টি কমিটির প্রতিবেদন এখনও পাওয়া যায়নি। আর যাচাই-বাছাই কমিটির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২৯ হাজার ৩৭২ জন আপিল আবেদন করেছেন।
স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ বি তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, ইকবালুর রহীম এবং কামরুল লায়লা জলি বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠকে জাতীয় মুক্তিযুদ্ধ কাউন্সিল (জামুকা) এর সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কেও অলোচনা করা হয়।
মুক্তিযোদ্ধা ট্রাস্টিবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একটি বৈঠকের আয়োজন করে বিদ্যমান পুরনো আইন সংশোধনসহ অন্যান্য সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন নিয়ে কাজ করার সুপারিশও করা হয় বৈঠকে।
বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি রক্ষার্থে রাশিয়ার আদলে দেশীয় প্রযুক্তি দিয়ে দ্রুত প্যনোরমা ভবন নির্মাণকাজ শুরু করার পরামর্শ দেওয়া হয়। খবর বাসস।








