ঘোষণা অনুযায়ী এখনও পাঁচ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ও বৈশাখী ভাতা না দেওয়ায় আবারও ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষা (দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত) জাতীয়করণ লিয়াজোঁ কমিটি।
দাবি আদায় না হলে আগামী ১০ মার্চ থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত কালো ব্যাজ ধারণ করে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, ১৮ মার্চ থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত স্থানীয় জাতীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও দাবির যৌক্তিকতা নিয়ে মতবিনিময়, ২২ মার্চ থেকে জেলা সদরে দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরে মানববন্ধন এবং ২৯ মার্চ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সকাল ১০টা থেকে অবস্থান ধর্মঘট পালন করা হবে।
শুক্রবার (৯ মার্চ) বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়।
লিখিত বক্তব্যে কমিটির আহ্বায়ক মো. ইদ্রিস আলী বলেন, দাবি আদায়ে ১০ জানুয়ারি আমাদের সংগঠনসহ ছয় দলীয় জোট জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে একটানা ২০ দিন অবস্থান ধর্মঘট ও আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করি। সেসময় শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট সচিবদের সঙ্গে আমাদের একাধিক বৈঠক ও আলোচনা হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাদ্রাসা ও কারিগরি শাখার সচিব মো. আলমগীর, অতিরিক্ত সচিব মো. জাকির হোসেন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মহউদ্দিনের মাধ্যমে শরবত পান করিয়ে অনশনরত শিক্ষকদের অনশন ভাঙান এবং ঘোষণা দেন, সরকার অবিলম্বে বার্ষিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ও বৈশাখী ভাতা দেবে। কিন্তু এখনও দৃশ্যমান কোনও কার্যক্রম আমরা দেখছি না।এ পরিস্থিতি নিরসনে সরকারকে দ্রুত ও জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫-এর আলোকে সব চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা ৬৩ থেকে ১০০ ভাগ বেড়েছে। কিন্তু সরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের বেতন বাড়েনি। আমরা প্রস্তাব করছি, শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত ৫০ টাকা, ৯ম-১০ম শ্রেণিতে ৭৫ টাকা এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে ১০০ টাকা বৃদ্ধি করা হোক। তবেই মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষা অনায়াসে বর্তমান সরকারের পক্ষে জাতীয়করণ করা সম্ভব হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিদ্যালয়ের রিজার্ভ মানি, দোকানপাটের ভাড়া, পুকুর-জমি ইত্যাদির ইজারা বা লিজ মানি সরকারি কোষাগারে জমা নিলে সরকার মাধ্যমকি স্কুল শিক্ষা দ্রুততম সময়ের মধ্যে জাতীয়করণ করতে পারে।’
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কমিটির উপদেষ্টা মো. শাহ আলম, সদস্য সচিব সদস্য সচিব প্রদীপ কুমার সাহা, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জসিম উদ্দিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সদস্য সচিব আবুল হোসেন মিলন প্রমুখ।








