সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের মধ্যে হত্যা, মারামারি ও পিস্তল দিয়ে পরস্পরকে গুলি করার মতো কিছু ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আগে থেকে অবস্থান করা রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় অপরাধীচক্রের সহায়তায় অপরাধমনস্ক কিছু রোহিঙ্গা বিভিন্ন ধরনের অপরাধকর্মে লিপ্ত হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে তা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত আছে।’ বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্ন-উত্তর পর্বে মৌলভীবাজার-২ আসনের আব্দুল মতিনের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বুধবার প্রশ্ন-উত্তর পর্বের প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত ছিল।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের যে কেউ অস্ত্র বা অন্য কোনও ধরনের অপরাধে জড়িত হলে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে অবস্থা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে আসা বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা যেন কোনও ধরনের অস্ত্র সঙ্গে আনতে না পারে, সেজন্য তল্লাশি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ পর্যন্ত ১১টি অস্ত্র মামলায় ২৯ জন রোহিঙ্গাকে গ্রেফতার করে বিচারে সোপর্দ করা হয়েছে। এছাড়া হত্যা, মাদক সংক্রান্ত অপরাধে জড়িতদের গ্রেফতার ও মামলা রুজু করা হয়েছে। বর্তমানে অবস্থা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে।’








