শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত করা ২০১৮ সালের ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত সময় মেনেই একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করতে হবে। আগের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইচ্ছামতো নির্ধারিত সময়ের বাইরে দফায় দফায় ভর্তি করা যাবে না। সোমবার (৩০ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মোল্লা জালাল উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কেউ ভর্তি ফরম পূরণ করলে মেধা তালিকা অনুযায়ী নির্ধারিত কলেজে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভর্তি হতে হবে। পরবর্তীতে অন্য কোনও কলেজে ভর্তির অপেক্ষায় কেউ যদি ভর্তি না হয়, তাহলে একবার ফরম পূরণ করে দ্বিতীয়বার ভর্তির সুযোগ পাবে না। তবে কোনও প্রতিষ্ঠানের আসন ফাঁকা থাকা সাপেক্ষে নতুন করে ভর্তি ফরম পূরণ করে ভর্তি হতে পারবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ১০টি কলেজেই ভর্তির সুযোগ পাবে। মেধা তালিকা অনুযায়ী যেখানে সুযোগ পাবেন সেখানেই ভর্তি হতে পারবে।’
এর আগে একবার ফরম পূরণ করে একাধিক প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ থাকতো। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে নির্ধারিত সময়ের বাইরে ইচ্ছামতো শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে পারতো। তবে শিক্ষার্থী নির্ধারিত কলেজে ভর্তি না হয়ে থাকলে, আর যদি পছন্দের কলেজে ভর্তির সুযোগ না পেতো সেক্ষেত্রে দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দিয়েও ভর্তির সুযোগ পেতো না।
আগামী ৬ মে এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। আবেদন কার্যক্রম শুরু হবে ১৩ মে থেকে, শেষ হবে ২৪ মে।
গতবারের মতো এবারও অনলাইন এবং এসএমএসের মাধ্যমে ভর্তির আবেদন করা যাবে। অনলাইনে সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা মাদ্রাসায় আবেদন করা যাবে। এতে নেওয়া হবে ১৫০ টাকা। মোবাইল ফোনে প্রতি এসএমএসে একটি করে কলেজে আবেদন করা যাবে। এর জন্য ১২০ টাকা দিতে হবে। তবে এসএমএস এবং অনলাইন মিলিয়ে কোনও শিক্ষার্থী ১০টির বেশি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবে না।
সোমবার চূড়ান্ত করা ভর্তি নীতিমালায় এবার শতভাগ মেধা তালিকায় ভর্তি নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে যদি কোটার অগ্রাধিকার প্রার্থী পাওয়া যায় সে ক্ষেত্রে অতিরিক্ত হিসেবে তাদের ভর্তি করাতে হবে। নির্ধারিত কোটার প্রার্থী না পাওয়া গেলে কোটা পূরণ করতে কোনও প্রার্থীকে ভর্তি করা যাবে না।
একাদশে মেধা তালিকায় শতভাগ ভর্তির পর অতিরিক্ত হিসেবে বিশেষ কোটায় মুক্তিযোদ্ধা ৫ শতাংশ, বিভাগীয় ও জেলা সদর ৩ শতাংশ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধঃস্তন দফতরগুলোর ২ শতাংশ, বিকেএসপি (বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান) শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ এবং প্রবাসী শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ ভর্তি করা হবে। এসব কোটায় যদি উপযুক্ত প্রার্থী না পাওয়া যায় তবে এসব আসনে অন্য কাউকে ভর্তি করা যাবে না।
আগামী ৬ মে এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। আবেদন কার্যক্রম শুরু হবে আগামী ১৩ মে থেকে শেষ হবে ২৪ মে।








