গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকায় অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম শিক্ষা ফাউন্ডেশনের নামে পরিচালিত ও নগরীর বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কে নিয়োজিত তিন শতাধিক ট্রাফিক সহকারীকে প্রত্যাহার দাবি জানিয়েছেন সিটি নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার। আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীর সমর্থনে এই ট্রাফিক সহকারীরা বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রচারণায় বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দেওয়া বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার স্বাক্ষরিত চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থীর নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত ট্রাফিক পুলিশ সহকারীরা জাহাঙ্গীর আলম শিক্ষা ফাউন্ডেশনের ব্যাচ ধারণ করে নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছে। প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র প্রার্থী চলাচলের সময় আগে থেকেই রাস্তা যানজট মুক্ত রাখতে গিয়ে এসব ‘ট্রাফিক সহকারী’ বিপরীত পাশে যানজট সৃষ্টি করছে। একইভাবে আমি বা আমার নির্বাচনি প্রচারকাজে নিয়োজিত নেতাকর্মীরা মহাসড়কে চলাচলের সময় উক্ত ট্রাফিক সহকারীরা আমাদের চলাচল বাধাগ্রস্থ বা বিলম্বিত করতে সু-কৌশলে মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি করে থাকে।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বেতনভুক্ত তিন শতাধিক কর্মী ট্রাফিক পুলিশের সহকারী হিসেবে কাজ করে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অপচেষ্টা করছে। তারা ট্রাফিক সহকারীদের পোশাক পরে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সঙ্গে নির্বাচনি প্রচারকাজে সরাসরি অংশ নিচ্ছে। এসব ট্রাফিক সহকারী জাহাঙ্গীর আলম শিক্ষা ফাউন্ডেশন ব্যাচ ধারণ করে এবং কখনও নৌকা প্রতীকের লিফলেট বহন করে সড়ক বা মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করায় জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। এটি নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির মারাত্মক অন্তরায় এবং সিটি করপোরেশন নির্বাচন আচরণবিধিমালার ৩নং বিধি (নির্বাচনি প্রচারণায় সমানাধিকার) এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।’ তিনি অবিলম্বে জাহাঙ্গীর আলম শিক্ষা ফাউন্ডেশনের ট্রাফিক সহকারীদের প্রত্যাহারের দাবি জানান।
এ ব্যাপারে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার রকিব উদ্দিন মন্ডল জানান, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন- গাজীপুর সিটি নির্বাচন: বৃষ্টি উপেক্ষা করে চলছে প্রচারণা








