নির্ধারিত দামে হাওরের কৃষকদের ধান বিক্রির ব্যবস্থা করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে হাওর অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফরম (হ্যাপ)। রবিবার (১৩ মে) সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, হাওর অঞ্চলের কৃষকদের ধান বিক্রির জন্য পর্যাপ্ত ক্রয়কেন্দ্র ও সংরক্ষণের জায়গা নেই। বাধ্য হয়ে কৃষকরা কম দামে ফড়িয়াদের কাছে ধান বিক্রি করে। সরকার এক হাজার ৪০ টাকা মণ প্রতি দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। তবে অনেক কম দামে ধান বিক্রি করে দিচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সুনামগঞ্জে তিন লাখ ২৫ হাজার নিবন্ধিত কৃষক রয়েছে। এদের কৃষি জমির পরিমাণ দুই লাখ ৭৬ হাজার হেক্টর। এখানে বোরো জমির পরিমাণ দুই লাখ ২৩ হাজার হেক্টর। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্যমতে, এবার ফসলের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে আট লাখ ৩০ হাজার টন। জেলায় ২২ হাজার টন ধান সংরক্ষণের জন্য গুদাম আছে।
হাওরের ১১টি উপজেলা সদরে মহাজনি আড়ৎ রয়েছে, যেখান থেকে প্রতিবছর দুই লাখ ৫০ হাজার টন ধান চালান দেওয়া হয়। আড়তে মজুত থাকে ৩০ হাজার টন। সরকারি গুদামে থাকে নির্ধারিত ২২ হাজার টন। আর নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জসহ হাওরের অন্যান্য জেলার পরিস্থিতিও একই রকম।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন হাওর অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফরমের যুগ্ম আহ্বায়ক শরিফুজ্জামান শরিফ, কিশোরগঞ্জ জেলা সমিতির যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হকসহ অনেকে।








