বর্তমানে দেশের একজন মা মাতৃত্বকালীন ভাতা হিসেবে ৫০০ টাকা পান। আগামী অর্থবছরে এ ভাতার পরিমাণ ৫০০ থেকে বাড়িয়ে ৮০০ টাকা করা হবে। বর্তমানে একজন হত-দরিদ্র মা দুই বছর পর্যন্ত মাতৃত্বকালীন ভাতা পেয়ে থাকেন। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এভাবে প্রায় আট লাখ হত-দরিদ্র নারীকে মাতৃত্বকালীন ভাতা দেওয়া হচ্ছে।
রবিবার (১৩ মে) বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ইস্কাটনে মহিলাবিষয়ক অধিদফতরের মিলনায়তনে মহিলা বিষয়ক অধিদফতর আয়েজিত আলোচনা ও সন্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি।
মহিলাবিষয়ক অধিদফতরের মহাপরিচালক কাজী রওশন আরার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাছিমা বেগম।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শূন্য থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে শিশুর ৯০ শতাংশ শারিরীক ও মানসিক বিকাশ সাধিত হয়। তাই এসময় মা ও শিশুর পুষ্টিকর খাবার খাওয়া খুবই জরুরি। এ বিষয় মাথায় রেখে মন্ত্রণালয় মাতৃত্বকালীন ভাতার মেয়াদ দুই বছর থেকে বাড়িয়ে তিন বছর করার পরিকল্পনা করছে।’
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘মায়েদের যথাযথ সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে যারা মা হবেন, তাদের প্রতিও জাতিকে যত্নশীল হতে হবে। এ জন্য কন্যাশিশুদের প্রতি যত্নবান হতে হবে।’
মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, ‘একজন সুস্থ মায়ের পক্ষেই একজন সুস্থ সন্তান জন্ম দেওয়া সম্ভব। আর একটি সুস্থ জাতি গঠনে সুস্থ স্বাভাবিক শিশু জন্মের বিকল্প নেই।’ সুস্থ স্বাভাবিক শিশুর জন্ম নিশ্চিত করতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় নানাবিধ কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে পাঁচ জন স্বপ্নময়ী মাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননা পাওয়া এক মা হলেন– দিনাজপুরের মোছা. নাজমা রহিম, যার এক সন্তান বিচারপতি এম. এনায়েতুর রহিম এবং আরেক ছেলে জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম। সম্মাননা পাওয়া অন্য মায়েরা হলেন– বি বাড়িয়ার ফিরোজা বেগম, মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার মানিক জান, মানিকগঞ্জের আরতী রপানী বনিক দাসোরা এবং মৌলভীবাজারের মীরা দে। সন্মাননা হিসেবে প্রত্যেক মাকে ক্রেস্ট, ফুল এবং দশ হাজার টাকার প্রাইজ বন্ড দেওয়া হয়।








