কোচিং ও গৃহশিক্ষকের কারণে ক্লাসে অমনোযোগী শিক্ষার্থীরা

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১৬ মে ২০১৮, ১০:০১আপডেট : ১৬ মে ২০১৮, ১০:১২

কোচিং সেন্টার (ছবি- সংগৃহীত) কোচিং ও গৃহশিক্ষকের কারণে সার্বজনীন শিক্ষার সমতা ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা ক্লাসে অমনোযোগী থাকছে। এজন্য শিক্ষার্থীদের মানসিক ও পরিবারকে অর্থনৈতিক চাপে পড়তে হচ্ছে।  ইউনেস্কোর সর্বশেষ গ্লোবাল এডুকেশন মনিটরিং (জিইএম) প্রতিবেদনে  এসব বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। বিশ্বের ২০৫টি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর জরিপ চালিয়ে এ প্রতিবেদনটি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ মে) রাজধানীর বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোতে (ব্যানবেইস) আয়োজিত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বে গৃহশিক্ষক দিয়ে পড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে। ক্লাসে শিক্ষকরা পাঠদান অসম্পন্ন রেখে কোচিং বা গৃহশিক্ষক হিসেবে পড়াচ্ছেন। এতে শিক্ষার সঠিক লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। ক্লাসে শিক্ষার্থীরা অমনোযোগী হয়ে পড়ছে। বাংলাদেশসহ এটা বৈশ্বিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২৭ সালে গৃহশিক্ষকতায় বৈশ্বিক বাজারে ২২৭ বিলিয়নেরও বেশি ডলার ব্যয় দাঁড়াবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শিক্ষায় অর্থায়নের বিষয়ে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালে শিক্ষা কর্ম-রূপরেখার প্রস্তাব হলে, শিক্ষার ব্যয় হবে মোট দেশীয় উৎপাদনের (জিডিপি) ৪-৬ শতাংশ ব্যয় করার কথা থাকলেও এখনও বাংলাদেশ শিক্ষা খাতে ব্যয় জিডিপি ২ শতাংশের নিচে রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে দেশের সুশীল সমাজ ও শিক্ষাবিদ শিক্ষা খাতে জিডিপি ব্যয় বাড়ানোর আহ্বান জানালেও সরকার এখনও প্রতি বাজেটে আশানরূপভাবে বরাদ্দ বাড়াচ্ছে না।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিক্ষার্থীরা স্কুল থেকে পালালে জেল ও অর্থ জরিমানা করা হচ্ছে। স্কুল পালানোর শাস্তি হিসেবে ফ্রান্সে দুই বছর, সিঙ্গাপুরে ১ বছর, দক্ষিণ আফ্রিকায় ছয় মাস, বেলজিয়ামে এক মাসের জেল ধার্য করা হয়। এছাড়াও ইউরোপ-আমেরিকার দেশগুলোয় এ কারণে মোটা অংকের অর্থ জরিমানা গুণতে হচ্ছে। অনেক দেশে পারিবারিক শিশুভাতাও বন্ধ করে দেওয়া হয়।

প্রতিবেদন প্রসঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ইউনেস্কোর প্রতিবেদনের মাধ্যমে বৈশ্যিক শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন ইতিবাচক ও নেতিবাচক বিষয় উঠে এসেছে। এই প্রতিবেদনের আলোকে বাংলাদেশের বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে হবে।

 

/আরএরআর/এসটি/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম