তামাকের কুফল সম্পর্কে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে পাঠ্যবইয়ে এর ক্ষতিকর দিক তুলে ধরা হবে। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এ কথা জানিয়েছেন।
রবিবার (২৭ মে) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘প্রজ্ঞা তামাক নিয়ন্ত্রণ সাংবাদিকতা পুরস্কার’ প্রদান এবং বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা জানান।
বেসরকারি সংস্থা প্রজ্ঞা এবং অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স (আত্মা) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘পাঠ্যবইয়ে মাদকের কুফল উল্লেখ আছে। তামাকের বিষয়টি আলাদাভাবে উল্লেখ নেই। ২০২০ সালের পাঠ্যবইয়ে তামাক ব্যবহারের ক্ষতিকর বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।’
মন্ত্রী আরো বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু আইন আছে। এই আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে। ছেলেমেয়েদের সচেতন করতে হবে। তামাকের ব্যবহার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে হবে।
বিশিষ্ট সাংবাদিক মোজাম্মেল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অব.) আব্দুল মালিক, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, অ্যান্টি-টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্সের আহ্বায়ক মর্তুজা হায়দার লিটন এবং প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত পাঁচ সাংবাদিকের হাতে পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট ও ৫০ হাজার টাকার চেক তুলে দেন। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন, সেরা জাতীয় প্রিন্ট/অনলাইন মিডিয়া বিভাগে দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের বিশেষ প্রতিনিধি দৌলত আক্তার মালা, কালের কণ্ঠের সিনিয়র রিপোর্টার আবুল কাশেম, সেরা টিভি রিপোর্টে এনটিভি’র এসএম আতিক, সেরা স্থানীয় পত্রিকা রিপোর্টে দৈনিক সিলেটের ডাক-এর চিফ রিপোর্টার সিরাজুল ইসলাম এবং বিশেষ বিভাগে গোলাম মর্তুজা জুয়েল।








