‘ঈদের উপহার দিলাম ধরলা সেতু, দেখেশুনে রাখবেন’

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৩ জুন ২০১৮, ১১:৪২আপডেট : ০৩ জুন ২০১৮, ১৫:০২

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাটের মানুষের জন্য ধরলা সেতুকে ঈদের উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও রংপুর অঞ্চলের মানুষের জন্য এই সেতুটি আমার পক্ষ থেকে ঈদের উপহার হিসেবে নেবেন। এটি আপনাদের ঈদের উপহার হিসেবে দিলাম। আপনারা এই সেতু রক্ষণাবেক্ষণ করবেন, দেখেশুনে রাখবেন।’

রবিবার (৩ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় ধরলা নদীর ওপর ‘শেখ হাসিনা ধরলা সেতু’ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি এসব কথা বলেছেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এই সেতুর ফলে এ এলাকার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার হবে। মানুষের যোগাযোগ অনেক সহজ হয়ে উঠবে। উত্তরবঙ্গের উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।’   

উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা আরও বলেছেন, ‘আজকে কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট থেকে শুরু করে আপনাদের রংপুরের বিভিন্ন অঞ্চলে কৃষকদের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করছে সরকার। উৎপাদন বৃদ্ধির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আবার ধরলা-ব্রহ্মপুত্র থেকে শুরু করে দেশের নদীগুলোর ড্রেজিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বর্ষাকালে যাতে এসব নদী বেশি পানি ধারণ করতে পারে, যাতে বন্যা না হয়, সেজন্য ব্যবস্থা নিচ্ছি। একসময় উত্তরবঙ্গে মঙ্গা হতো, এখন সে সমস্যা কেটে গেছে। যে জমিতে একবার ফসল হতো , সেটি দো-ফসলি হয়েছে। খাদ্য ও সবজি উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।’

শেখ হাসিনা ধরলা সেতু

এ সময় ছিটমহল সমস্যা সমাধানের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘লালমনিরহাটের প্রত্যেকটা উপজেলায় উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। স্বাধীনতার পর পর মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি হয়েছিল। সেই চুক্তি বাস্তবায়নে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সচেষ্ট ছিলেন। পরে জিয়াউর রহমান, এরশাদ, খালেদা জিয়া ক্ষমতায় ছিল কিন্তু কেউ ছিটমহল সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করেনি। দীর্ঘদিন পর ছিটমহল সমস্যার সমাধান হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর পর বাংলাদেশে অনেক সরকার এসেছিল, কিন্তু কোনও সরকার ভারতের কাছে ছিটমহল সমস্যা সমাধানের দাবি জানায়নি। কিন্তু আমরা সে সমস্যার সমাধান করেছি। পৃথিবীর ইতিহাসে এত শান্তিপূর্ণভাবে ছিটমহল বিনিময়ের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বাংলাদেশ, যা বিরল।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলে, এমনকি নদী বা সাগরে দুর্যোগের সময়ও মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল থাকবে। সবাই প্রয়োজনে নিজেদের অবস্থানের কথা জানাতে পারবেন। এর ফলে প্রযুক্তির প্রসার ঘটবে দেশের প্রতিটি অঞ্চলে। মানুষকে লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে, তারা ইন্টারনেটে কাজ করে টাকা উপার্জন করছে, এটি আরও বৃদ্ধি পাবে।’ 

 

/এএইচ/চেক-এমওএফ/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম