মিরপুরে দু’টি প্রকল্পে দুই হাজার ৬০০ ফ্ল্যাট নির্মাণ করছে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ। প্রকল্প দু’টি হলো স্বপ্ননগর-১ ও স্বপ্ননগর-২। স্বপ্ননগর-১ এর নির্মাণ কাজ শেষের দিকে এবং স্বপ্ননগর-২ এর কাজও দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। সোমবার (১১ জুন) গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন মিরপুরে প্রকল্প দু’টি পরির্শনকালে তাকে এসব তথ্য জানানো হয়।
তাকে আরও জানানো হয়, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত নাগরিকদের জন্য নির্মিত এসব ফ্ল্যাটের অধিকাংশই বিক্রি হয়ে গেছে। তবে স্বপ্ননগর-২ প্রকল্পে প্রায় ৩শ’ ফ্ল্যাট অবিক্রিত অবস্থায় রয়েছে। এগুলো বিক্রির জন্য দরখাস্ত আহ্বান করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় সাড়ে ৪শ’ আবেদনও পাওয়া গেছে।
এসময়ে ভবন নির্মাণ এবং অন্যান্য কাজের অগ্রগতির খোঁজখবর নেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী। এই প্রকল্প দু’টির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পানি পরিশোধনের জন্য পৃথক ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপনের অগ্রগতি সম্পর্কেও জানানো হয়েছে।
এ সময়ে গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, বৃষ্টির পানিধারণ ও ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন এবং বাসাবাড়ির বর্জ্য ও স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপনে কিছুটা বাড়তি সময় লাগবে। এই ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপনকারী প্রতিষ্ঠান জানায় যে, স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টে যেসব বর্জ্য পরিশোধন করা হবে তা থেকে পাওয়া পানির কিছু অংশ পান করার উপযোগী করা হবে এবং কিছু অংশ গাড়ি পরিষ্কার ও বাগানে পানি দেওয়ার কাজে লাগানো হবে। স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট শেষে কঠিন কোনও বর্জ্য অবশিষ্ট থাকবে না। বাসাবাড়ির রান্নাঘরের বর্জ্য ট্রিটমেন্ট করে বায়োগ্যাস ও জৈব সার উৎপাদন করা হবে। এ বায়োগ্যাস কয়েকটি ভবনের রান্নার কাজে ব্যবহার করা হবে এবং উৎপাদিত জৈব সার বিক্রি করা হবে।
পরে মন্ত্রী মিরপুরের দুয়ারিপাড়ায় জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের দু’টি জমি পরিদর্শন করেন। এরমধ্যে ৪০ একর জমির ওপর পিপিপি’র আওতায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত নাগরিকদের জন্য আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। একশ’ একরের অপর জমি সমন্বিত নগর হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
মন্ত্রীর এই প্রকল্প পরিদর্শনকালে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান খন্দকার আখতারুজ্জামান ও সদস্য ফজলুল কবীরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।








