প্রত্যেক জেলা শহরে শিশু আদালত স্থাপন করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে মঙ্গলবার (২৬ জুন) জাতীয় সংসদে ‘শিশু (সংশোধন) বিল-২০১৮’ সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী জেলা সদরে এক বা একাধিক শিশু আদালত গঠনের বিধান রয়েছে।
মঙ্গলবার সংসদে সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বিলটি উত্থাপন করলে তা পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। ২০১৩ সালের শিশু আইন সংশোধনের জন্য বিলটি আনা হয়েছে।
প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, কোনও অপরাধ সংঘটনে প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশু জড়িত থাকলে পুলিশ রিপোর্ট, অনুসন্ধান প্রতিবেদন ওই বয়স্ক ব্যক্তি ও শিশুর জন্য আলাদাভাবে প্রস্তুত করে দাখিল করতে হবে। অপরাধ আমলে গ্রহণের ক্ষেত্রেও পৃথকভাবে করতে হবে। বিদ্যমান আইনে শুধুমাত্র চার্জশিট পৃথকভবে দেওয়ার বিধান ছিল।
আইনের সংশোধনী কার্যকর হলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অধীনে গঠিত সব নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল শিশু আদালত হিসেবে গণ্য হবে।
বিলটি উত্থাপনের সময় প্রস্তাবিত আইনের নাম পরিবর্তনের দাবি জানান সরকারি দলের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘শিশু (সংশোধন)’ নামটি শুনলে মনে হয় শিশুদের সংশোধন করা হচ্ছে।
তিনি মন্ত্রীকে নামটি পরিবর্তনের প্রস্তাব করেন। মন্ত্রী নিজেও বিষয়টিতে সহমত পোষণ করলে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী সংসদীয় কমিটিতে পরীক্ষা করার সময় বিষয়টি নিয়ে আলোচনার পরামর্শ দেন।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, শিশু আইন-২০১৩ কার্যকর হওয়ার পর এর কিছু প্রায়োগিক সমস্যা সৃষ্টি হওয়ায় কয়েকটি ধারা সংশোধনের জন্য বিলটি আনা হয়েছে।
হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট বিল উত্থাপন
ধর্মমন্ত্রী মতিউর রহমান ‘হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট বিল-২০১৮’ সংসদে উত্থাপন করেন। পরে বিলটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
১৯৮৩ সালের ‘হিন্দু রিলিজিয়াস ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট অর্ডিন্যান্স’ রহিত করে নতুন আইন করতে বিলটি আনা হয়েছে। আগের আইনটি বাংলায় নতুন করে প্রণয়ন করতে বিলটি উত্থাপন করা হয়েছে।








