নতুন নিবন্ধনের জন্য দুটি রাজনৈতিক দলের আবেদন যাচাই-বাছাই চলছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। সংসদ কার্যে নির্বাচন সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত হিসেবে তিনি বৃহস্পতিবার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে এই কথা জানান।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে সরকারি দলের নিজাম হাজারীর প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।
মন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ৪০টি। নতুন দলের প্রাপ্ত ৭৫টি আবেদনের মধ্যে ৭৩টি নামঞ্জুর রয়েছে। দুটি আবেদনে অধিকতর যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্রের ব্যবহার বিষয়ে সংরক্ষিত আসনের ফিরোজা বেগমের প্রশ্নের জবাবে আনিসুল হক জানান, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নিজেদের কাজের সুবিধার জন্য পরিচয় যাচাইয়ের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যাদি ব্যবহার করছে। আদালত, দুর্নীতি দমন কমিশন, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা কোম্পানি, মোবাইল অপরেটরস, ভূমি প্রশাসন, চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান, ইউটিলিটি সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষ, কর ও রাজস্ব কর্তৃপক্ষ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাসাবাড়ির মালিকসহ সামাজিক ও ব্যক্তিগত সর্বক্ষেত্রে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করা সম্ভব হবে। ব্যক্তিগতভাবে নাগরিকের সঠিক ও নির্ভুল পরিচয় নিশ্চিত হবে। এছাড়া মানি লন্ডারিং, জঙ্গি তৎপরতা, অপরাধী শনাক্তকরণে এই কার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
১০ শতাংশ মানুষ অনুন্নত ল্যাট্রিন ব্যবহার করে
সরকার দলীয় এমপি আনোয়ারুল আজীমের (আনার) প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানান, বর্তমানে ১৩ কোটি ৯২ লাখ (৮৭ শতাংশ) মানুষ নিরাপদ পানির সুবিধা ভোগ করে। বাকি ১৩ শতাংশ মানুষ দূরবর্তী অন্যান্য নিরাপদ উৎস থেকে পানি সংগ্রহ করে থাকে।
মন্ত্রী জানান, দেশের ৯৯ শতাংশ জনগণ মৌলিক স্যানিটেশনের আওতাভুক্ত। এর মধ্যে ৬১ শতাংশ উন্নত-ল্যাট্রিন, ২৮ শতাংশ যৌথ ল্যাট্রিন ও ১০ শতাংশ অনুন্নত ল্যাট্রিন ব্যবহার করেন।
সংরক্ষিত আসনের সানজিদা বেগমের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে রাজধানীর পানির চাহিদা দৈনিক ২৩০ থেকে ২৩৬ কোটি লিটার। ঢাকা ওয়াসার পানি সরবরাহের সক্ষমতা দৈনিক ২৪৫ কোটি লিটার। ওয়াসার চলমান প্রকল্প চালু হলে ২০২১ সালের মধ্যে ঢাকার সুপেয় পানির চাহিদার ৭০ ভাগ ভূ-উপরোস্থ পানি পরিশোধনের মাধ্যমে সরবরাহ করতে সক্ষম হবে।
আরও পড়ুন- ‘প্রধানমন্ত্রী হয়েও সন্তানের পড়ার খরচ দিতে পারিনি’








