আবহাওয়া অধিদফতরকে আইনি কাঠামো দিতে সংসদে বিল পাস হয়েছে। সংসদ কার্যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বুধবার জাতীয় সংসদে ‘আবহাওয়া বিল- ২০১৮’ উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়। এর আগে বিলটির বিষয়ে বিরোধী দলের আপত্তি নিষ্পত্তি হয়। এর আগে গত ৮ এপ্রিল বিলটি সংসদে উত্থাপিত হলে তা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়।
পাস হওয়া বিলে বলা হয়েছে, সময়মতো সঠিক আবহাওয়া ও জলবায়ু পূর্বাভাস, আবহাওয়া সংক্রান্ত দুর্যোগ মোকাবিলা ও হ্রাস, জনজীবন ও সম্পদের সুরক্ষা, জলবায়ু ও সম্পদের যৌক্তিক ব্যবহারের জন্য আবহাওয়া সার্ভিস সংক্রান্ত কার্যক্রম শক্তিশালী করা প্রয়োজন। এজন্য আবহাওয়া অধিদফতর ঝড়ের পূর্বাভাস, ভূমিকম্প ও ভূমিকম্পজনিত বন্যা ও সুনামির পূর্বাভাস শনাক্ত এবং পর্যবেক্ষণ করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংগ্রহ, সংস্থাপন, সংরক্ষণ ও তত্ত্বাবধান করতে পারবে।
এতে বলা হয়েছে, আবহাওয়া অধিদফতরের অনুমতি ছাড়া কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান জলবায়ু সংক্রান্ত কোনও প্রকার সতর্কবার্তা দিতে পারবে না। বিলে বলা হয়েছে, অধিদফতর ‘জাতীয় আবহাওয়া গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর একটি বিশেষায়িত আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষণা প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি ১৯৭২ সালে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে নানাবিধ সীমাবদ্ধতার মধ্যে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক আবহাওয়ার তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং আবহাওয়া বিষয়ক সঠিক তথ্য সরবরাহের কাজ করলেও এখন পর্যন্ত আবহাওয়াবিষয়ক কোনও আইন প্রণীত হয়নি। এ বিষয়টি বিবেচনা করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ২০১৫ সালের ২৮ মে’র বৈঠকে আবহাওয়া বিষয়ক আইন প্রণয়নের সুপারিশ করা হয়।








