সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনীর প্রতিবাদে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সমাবেশ

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১৭ জুলাই ২০১৮, ২৩:৪৪আপডেট : ১৭ জুলাই ২০১৮, ২৩:৫৪

সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনীর প্রতিবাদে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিবাদ সমাবেশ

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সরাসরি নির্বাচনের বিধান না রেখে আরও ২৫ বছর বহাল রাখার প্রতিবাদে সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ সমাবেশ করেছে সংগঠনটি।

প্রতিবাদ সমাবেশে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়শা খানম বলেন, নারী আন্দোলনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ যৌক্তিকভাবে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জানতে চায় সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান না রেখে মনোনয়নের মাধ্যমে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন আরও ২৫ বছর বহাল রেখে কেন এই সরকার তাদের লিখিত অঙ্গীকার ভঙ্গ করলেন?

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকারের নারী জনপ্রতিনিধিরা যদি সরাসরি নির্বাচিত হতে পারেন তাহলে জাতীয় সংসদেও নারীরা পারবেন। কাজেই জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে সরাসরি নির্বাচনের ব্যবস্থার বিষয়টি যেন এই সরকার আবারও পুনর্বিবেচনা করেন সেই দাবি আমরা জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের নারীরা যেমন হিমালয়ের চূড়ায় উঠেছে তেমনি সবক্ষেত্রে তাদের দক্ষতা ও আন্তরিকতার স্বাক্ষর রেখেছে। কিন্তু সেই নারীরাই আজ রাজনৈতিক ভাবে পিছিয়ে পড়ছে। রাজনীতিতে নারীদের একটি অংশকে পেছনে রেখে কখনোই টেকসই উন্নয়ন হবে না।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, যে নারী দেশের অর্থনীতিকে সচল রেখেছে, একটি দেশকে অনুন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশের দিকে পৌঁছাতে ক্রমাগত প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে সাহায্য করে যাচ্ছে সেই নারীদের কেন জাতীয় সংসদে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবে রাখা হবে?

তিনি বলেন, ২০০৭ সালের নির্বাচনি ইশতেহারে  এই দল (আওয়ামী লীগ) ঘোষণা দিয়েছিল, তারা যদি দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসাবে নির্বাচিত হতে পারে তাহলে তারা সংসদে নারীদের সরাসরি নির্বাচনের বিষয়টি সংশোধন করবেন।  কিন্তু, এই সংসদে ২০১৮ সালে তারা জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিলেন। নারীর নির্বাচনি এলাকা নেই বলেই তারা পরনির্ভরশীল শক্তি হিসাবে রাজনীতিতে তৈরি হচ্ছে। অথচ শাসনতন্ত্র সংশোধন করে যদি নির্বাচনি এলাকা ঢেলে সাজানো যেত তাহলে এতদিনে নারীর জন্য নির্বাচনি এলাকা তৈরি হত।

তিনি বলেন, নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের এই বিষয় নিয়ে সরকারের একতরফা সিদ্ধান্ত নারীর জন্য কখনোই ইতিবাচক হবে না।

/টিওয়াই/টিএন/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম