বৃষ্টির মৌসুমে পাহাড় ধস হবেই, তবে আমাদের সাবধান থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন কারণে পাহাড় ধস হচ্ছে। বনখেকোরা বন কেটে উজাড় করে ফেলছে, আবার কেউ বন সাফ করে জুম চাষ করছে। ফলে পাহাড়ের ওপরে মাটি আঁকড়ে রাখার গাছের শিকড় না থাকায় মাটি নরম হয়ে তা ধসে পড়ছে।’
বুধবার (২৪ জুলাই) সচিবালয়ের মন্ত্রিসভার সভাকক্ষে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের প্রথম অধিবেশনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব শফিউল আলম।
পাহাড় ধস রোধে গাছ লাগানো এবং বনের জমি ইজারা না দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ‘জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে বন ও নদী দখল এবং দূষণ রোধের বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা করেছি। কক্সবাজারের রোহিঙ্গারা ৫ হাজার একর জমির গাছগাছালি উজাড় করে ফেলেছে। যেহেতু মানবিক কারণে তাদের আশ্রয় দেওয়া হয়েছে সেহেতু এই ক্ষতি আমাদের মানতেই হবে।’
পরিবেশমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বেশিরভাগ গাছ রোহিঙ্গারা ব্যবহার করেছে জ্বালানির কাজে। রোহিঙ্গাদের জ্বালানির কাজে ব্যবহারের জন্য আমরা গ্যাস সিলিন্ডার দেওয়ার কথা ভেবেছিলাম, কিন্তু দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে এই চিন্তা থেকে আপাতত তা বাদ দিয়ে কয়লা দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।’
আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, ‘জমি, পাহাড় ও বন দখল একটি নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। একদিকে তাদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে, অপরদিক থেকে আবার তারা দখল করছে। এজন্য আলাদা একটি চক্রই রয়েছে। আশা করছি এভাবে উচ্ছেদ করতে করতে একসময় সচেতনতা বাড়বে এবং এসব দখল কালচার বন্ধ হবে।’








