সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার চারটি ইউনিয়ন সাতক্ষিরা-৩ আসনের অন্তর্ভুক্ত করে গত ৩০ এপ্রিল জারি করা নির্বাচন কমিশনের প্রজ্ঞাপন কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানিতে সোমবার (৩০ জুলাই) বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
চার সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন কমিশন ও সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকসহ তিনজনকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট শেখ হাবিব-উল আলম। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘কালীগঞ্জ ও শ্যামনগর উপজেলা নিয়ে সাতক্ষিরা-৪ আসনের সীমানা নির্ধারণ করে গত ১৪ মার্চ গেজেট জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এরপর এই আসন বজায় রাখতে এলাকাবাসী ৯ এপ্রিল ইসিকে লিখিত মতামত দেয়। এই মতামত পাওয়ার পর ইসি গত ২৩ এপ্রিল শুনানি করে। পরবর্তীতে কালীগঞ্জ উপজেলার চামপাফুল, ভাড়াশিমলা, তিন তারালি ও নলতা— এই চারটি ইউনিয়ন অন্তর্ভুক্ত করে সাতক্ষিরা-৩ আসনের সীমানা পুনর্গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে ইসি। অথচ এর আগে সাতক্ষিরা-৩ আসন ছিল আশাশুনি ও দেবহাটা উপজেলা নিয়ে।’
তিনি জানান, ফলে কালিগঞ্জ উপজেলার তারালি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য শামসুজ্জামান, নলতা ইউনিয়নের সদস্য খোদেজা খাতুনসহ ১৯ জন ওই প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করেন। সেই রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রুল জারি করেন আদালত।








