সংসদ নির্বাচনে জনগণের আস্থা অর্জন জরুরি বলে মন্তব্য করে স্পিকার ড.শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন হচ্ছে গণতন্ত্রের মূলভিত্তি। আর অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা দরকার। অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য জন আস্থা অর্জনে নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বুধবার ঢাকার হোটেল র্যাডিসনে দক্ষিণ এশিয়ার নির্বাচন কমিশনের সংগঠন ফোরাম অব ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বডিস অব সাউথ এশিয়া (এফইএমবিওএসএ-ফেমবোসা) এর দুই দিনব্যাপী সম্মেলন উদ্বোধনকালে তিনি আরও বলেন, একাদশ সংসদ নির্বাচন দরজায় কড়া নাড়ছে। এ অবস্থায় সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন কমিশনও প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে কমিশন দায়বদ্ধ।
অনুষ্ঠানে আফগানিস্তানের নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান ও ফেমবোসার বর্তমান চেয়ারম্যান ডা. গোলাজান এ. বাদি সাইদ এবং বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা বক্তব্য রাখেন।
দেশের একাদশ সংসদ নির্বাচনের কথা জানিয়ে স্পিকার জানান, চলতি দশম সংসদের মেয়াদ শেষ দিকে রয়েছে। একাদশ সংসদ নির্বাচন দরজায় কড়া নাড়ছে। এ অবস্থায় সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন কমিশনও প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে। শক্তিশালী গণতন্ত্র চর্চায় সংবিধান ও আরপিও অনুযায়ী অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে কমিশন দায়বদ্ধ।
স্পিকার জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় কারিগরী উদ্ভাবনী, ওয়েরসাইট ডিজাইন, নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইত্যাদি বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিশ্বাসযোগ্যতা ও আস্থা আনতে ফেমবোসা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে উল্লেখ করে স্পিকার বলেন,বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন খুব নিকটে। ইতোমধ্যে কমিশন স্মার্ট কার্ডসহ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। ফেমবোসার এ ধরনের সম্মেলন দক্ষিণ এশিয়া দেশসমূহের মাঝে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক জ্ঞান লাভে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর প্রথম সাধারণ অধিবেশনে ফেমবোসার বর্তমান সভাপ্রধান স্বাগতিক বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার কাছে সভাপ্রধানের দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।
সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ভুটানের নির্বাচন কমিশন সচিব দাউয়া তানজিন,ভারতের নির্বাচন কমিশনার অশোক লাভাসা, মালদ্বীপের এম্বাসেডর এশাথ শান শাকির, নেপালের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ডা. আইয়োদী প্রাশাদ জাদেভ, পাকিস্তানের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার শাহ ফয়সাল কাকার, শ্রীলংকার নির্বাচন কমিশন চেয়ারম্যান মাহিন্দ্রা দেশাপ্রিয়াসহ বাংলাদেশের সাবেক ও বর্তমান নির্বাচন কমিশনার এবং দেশি-বিদেশি প্রতিনিধিরা।








