জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউ ইয়র্ক পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ সময় সোমবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে তিনি লন্ডন থেকে নিউ ইয়র্ক পৌঁছান। সরকারি বার্তা সংস্থা বাসস এ খবর জানিয়েছে।
ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা নিউ জার্সির নিউয়ার্ক লিবার্টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ১০ মিনিটে অবতরণ করেন।
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন।
সংক্ষিপ্ত অভ্যর্থনা শেষে মটর শোভাযাত্রাসহ প্রধানমন্ত্রীকে নিউ ইয়র্কের হোটেল গ্র্যান্ড হায়াতে নিয়ে যাওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে প্রধানমন্ত্রী এখানেই অবস্থান করবেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রথম দিন সন্ধ্যায় নিউ ইয়র্কের মিডটাউনের হোটেল হিলটনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়োজিত সংবর্ধনায় যোগ দেবেন।
এর আগে যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে নিউ ইয়র্কের উদ্দেশে রওনা দেন। যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার নাজমুল কাউনাইন বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানান। যুক্তরাষ্ট্রে সপ্তাহব্যাপী সরকারি সফরে নিউ ইয়র্কের পথে যাত্রাবিরতিতে শুক্রবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে লন্ডন পৌঁছেছিলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন এবং একই দিনে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে তার বৈঠক করার কথা রয়েছে।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড লাইনে প্রধানমন্ত্রীর একাধিক বিশ্বনেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের কথা রয়েছে। এরমধ্যে রয়েছেন এস্তোনিয়ার প্রেসিডেন্ট ক্রেস্টি কালজুলেইদ এবং নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প আয়োজিত সংবর্ধনায় যোগ দেবেন এবং সে দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সঙ্গেও বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এ বছর সাধারণ অধিবেশনের প্রতিপাদ্য হচ্ছে- ‘মেকিং দ্য ইউনাইটেড নেশন্স রিলেভেন্ট টু অল পিপল: গ্লোবাল লিডারশিপ অ্যান্ড শেয়ারড রেসপনসিবিলিটিস ফর পিসফুল, ইকুইট্যাবল অ্যান্ড সাসটেইনেবল সোসাইটিজ।’








