মাদকসহ ছেলের আটকের ঘটনায় কুচক্রীমহলের ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্যানেল মেয়র মো. জামাল মোস্তফা। তিনি বলেন, ‘মাদকের বিস্তারের শুরু থেকেই আমি সবসময় এর বিরুদ্ধে সোচ্চার। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় সম্প্রতি আমি নিজেই সেই কুচক্রীমহলের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি।’ শনিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ডিএনসিসির নগর ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
জামাল মোস্তফা বলেন, ‘গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে আমার বড় ছেলে রফিকুল ইসলাম রুবেলকে তার বন্ধু পরিচয় দিয়ে কে বা কারা ফোনে ডেকে নেয়। পল্লবী থানা পুলিশ আমার ছেলে ও আরও ২ জনকে আটক করে নিয়ে যায়। যে বাড়ি থেকে তাদের আটক করে, ওই বাড়িটি মিরপুর থানাধীন এবং বাড়িটি একজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তার।’ তিনি বলেন, ‘আটকদের মধ্যে একজন ওই অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তার ছেলে। এছাড়া একজন মহিলাও আটকদের মধ্যে রয়েছেন। বিষয়টি জানতে পেরে আমি পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ফোন করি। পরবর্তী সময়ে থানায় গেলে আমাকে জানানো হয়, আটককৃতরা মাদকের সঙ্গে জড়িত। আমার ছেলেকে ছেড়ে দিতে তিনি অস্বীকৃতি জানান। অবশেষে ২৭ সেপ্টেম্বর তাদের সবাইকে কোর্টে চালান করে দেওয়া হয়।’
প্যানেল মেয়র বলেন, ‘২৮ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তিমূলক খবর প্রকাশিত হয়। সেখানে পুলিশের বরাত দিয়ে আমার ছেলেকে তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। আটক মহিলাকে আমার ছেলের স্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হয়।’ তিনি বলেন, ‘আমি বলতে চাই, আমার সন্তান কোনও মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিল না। আটক মহিলা আমার ছেলের স্ত্রী নয়। কুচক্রীমহল ষড়যন্ত্র করে এটা ঘটিয়েছে। এছাড়া পুলিশের দায়ের করা মামলায় বলা হয়েছে, ২৭ সেপ্টেম্বর ভোর ৫টা ৫৫ মিনিটে আমার ছেলেকে আটক করা হয়। কিন্তু আটক করেছে আগের দিন আনুমানিক রাত ৮টায়। সময় ও স্থান দুটিতেই অসামঞ্জস্য রয়েছে। এতে বোঝা যায়, বিষয়টি সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলক।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জামাল মোস্তফার স্ত্রী রোকেয়া জামান ও পুত্রবধূ নাহিদা সুলতানা পলি।








