জাতীয় সংসদের কয়েকটি সংসদীয় কমিটি যেখানে চলমান মেয়াদে বৈঠক বসার ক্ষেত্রে দশকের কোটাও পূরণ করতে পারেনি সেখানে শততম বৈঠকটি করলো সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।
রবিবার সংসদ ভবনে দশম জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত এ স্থায়ী কমিটির শততম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কমিটির সভাপতি ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এ উপলক্ষে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১০০তম বৈঠক সম্পন্ন এবং ১৬টি রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপনের মাধ্যমে এ কমিটি একটি অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছে এবং অডিট আপত্তির জট কমিয়ে এটিকে হালনাগাদ করতে সক্ষম হয়েছে।
বৈঠকে তিনি অন্য সদস্যদের তাদের আন্তরিকতা ও সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি এ সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করেন।
বৈঠকে কমিটির সদস্য মো. আব্দুস শহীদ, মো. শামসুল হক টুকু, মঈন উদ্দীন খান বাদল, রেবেকা মমিন, ওয়াসিকা আয়েশা খান এবং ডা.আক্কাস আলী সরকার অংশগ্রহণ করেন। রবিবারের বৈঠকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের ২০১১-১২ অর্থ বছরের হিসেবের ওপর মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে ২০১২-১৩ আর্থিক সাল পর্যন্ত ১৪ (চৌদ্দ) টি অডিট আপত্তি নিয়ে আলোচনা হয় এবং অডিট আপত্তিগুলো সংসদীয় কমিটি প্রদত্ত নির্দেশনার আলোকে নিষ্পত্তির সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে বিভিন্ন সরকারি ও আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানের টেলিফোনের বকেয়া বিল, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অনাদায়ী টেলিফোন বিল, বিভিন্ন প্রাইভেট অপারেটরদের কাছে বকেয়া ও অনাদায়ী বিল, সংবাদপত্র/ সংবাদসংস্থার কাছ থেকে অনাদায়ী টেলিফোন বিল, জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে বকেয়া টেলিফোন বিল, টেলিফোন রাজস্ব বাবদ আদায়কৃত টাকা দীর্ঘদিন ধরে অনিয়মিতভাবে ব্যাংকে জমা এবং আদায় করা রাজস্বের পে-অর্ডার পাওয়া যায়নি মর্মে উত্থাপিত অডিট আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে কমিটির পক্ষ থেকে আদায় করা অর্থের প্রমাণগুলো অডিট অফিসে জমা দিয়ে অডিট অফিসের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আপত্তিগুলো নিষ্পত্তি করার এবং অনাদায়ী টাকা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে প্রমাণগুলো অডিট অফিসে জমা দিয়ে আপত্তিগুলো নিষ্পত্তির সুপারিশ করা হয়।








