প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি বাতিলের প্রস্তাব বুধবার (৩ অক্টোবর) অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। এর পরপরই এক জরুরি বৈঠকে বসেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা। বৈঠকে এই বিষয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বুধবার (৩ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের (আইইআর) একটি কক্ষে বৈঠকে বসেছেন কমিটির প্রায় ২৫ জন নেতা।
কমিটির আহ্বায়ক হাসান আল মামুন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আজ (বুধবার, ৩ অক্টোবর) মন্ত্রিসভা কোটা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে। এনিয়ে আমরা জরুরি বৈঠকে বসেছি।’ বৈঠক শেষে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মন্ত্রিপরিষদে কোটা বাতিলের বিষয়ে অস্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছে ৷ সেখানে বলা হয়েছে রাষ্ট্র চাইলে যে কোনও সময় বাতিলের বিষয়টি পরিবর্তন করতে পারে ৷ মন্ত্রিপরিষদ সচিবের বক্তব্যটি কোটা বাতিলের সিদ্ধান্তের বিষয়ে অস্পষ্ট রয়ে গেছে৷ আমরা কোটার সম্পূর্ণ বাতিল চাইনি৷ আমাদের পাঁচ দফার আলোকে সংস্কার চেয়েছি ৷ একই সঙ্গে আমাদের তিন দফা দাবি মেনে নিতে হবে ৷ তিন দফা দাবি হলো, সব আটক ব্যক্তিদের মুক্তি দিতে হবে, হামলাকারীদের বিচার করতে হবে ও পাঁচ দফার আলোকে কোটা সংস্কার করতে হবে৷ আগামীকাল দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সংবাদ সম্মেলেনের মাধ্যমে আমাদের অবস্থান জানাবো।’
এদিকে, কমিটির যুগ্ম আহবায়ক বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, ‘কোটা সংস্কারের আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল সারাদেশের শিক্ষার্থীরা। ঢাকার বাইরের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আমাদের এই আন্দোলনের নেতা কর্মী রয়েছেন। তাদের কাছ থেকে আমরা পরামর্শ নেবো। তাদের সবার সঙ্গে আলোচনা করেই আমরা আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করবো। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার, ৪ অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলনেই আমাদের অবস্থান জানানো হবে।’








