বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেড়ারেশনের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘটকে অবৈধ ও শ্রম আইনবিরোধী বলে আখ্যায়িত করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগ। একইসঙ্গে এই ধর্মঘটের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছে সংগঠনটি। সোমবার (২৯ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইনসুর আলী এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়কে সামনে রেখে মানুষকে জিম্মি করে অবৈধ ধর্মঘট ডেকেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন। অথচ এই পরিবহন আইন বাংলাদশে সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের নেতারা উপস্থিত থেকে খসড়া চূড়ান্ত করে পার্লামেন্টে অনুমোদনের জন্য পাঠায়। এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের এই দ্বিমুখী আচরণে দেশে আজ অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। ফেডারেশনের নেতাদের নির্দেশে দুষ্কৃতকারীরা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তথা স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী, ব্যক্তিগত গাড়িচালক, অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভারসহ সাধারণ চালকদের মুখে কালি লাগিয়ে দিচ্ছে।
এতে আর বলা হয়, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের নেতাদের ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করতে শেখ হাসিনার সরকারকে বিপদে ফেলার জন্য এই বেআইনি ধর্মঘট ডেকেছে। তারা পরিবহন শ্রমিকদের ভিন্ন পথে পরিচালনা করে দেশবাসীর সামনে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উপস্থাপন করেছে। চলমান ঘর্মঘটে গাড়ি ভাঙচুর, মানুষের মুখে কালি-পোড়া মোবিল লাগানো ও শিশু হত্যায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয় বিবৃতিতে।
এই প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সংগঠনের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হানিফ খোকন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এই ধর্মঘট শ্রম আইনবিরোধী। যারা সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে দাবি আদায় করতে চায়, তারা আসলেই সরকারবিরোধী। এই আইনের যেসব ধারা সংশোধন প্রয়োজন, সেগুলো আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সংশোধন করা যেতে পারে। তবে কোনোভাবেই মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলে নয়।’








