গভীর তৃপ্তি নিয়ে ঢাকা ছাড়ছেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট। মঙ্গলবার (৩০ অক্টোবর) ঢাকায় তার সমাপনী সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমি চলে যাচ্ছি গভীর তৃপ্তি নিয়ে। আবার দেখা হবে।
৩৭ বছরের কূটনৈতিক জীবনের প্রায় চার বছর সময় ঢাকায় কাটালেন মার্শা বার্নিকাট। এই সময়ে তিনি গভীরভাবে চিনেছেন বাংলাদেশের মানুষ, পথঘাট ও সংস্কৃতি। মাঝে মাঝেই পরেছেন বাঙালি নারীর প্রিয় পোশাক শাড়ি। শেষ সংবাদ সম্মেলনেও তেমনই সাজে দেখা গেলো তাকে।
সফলভাবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের এই দায়িত্ব সম্পন্ন করার পরে আগামী শুক্রবার ওয়াশিংটনে ফেরত যাচ্ছেন মার্শা বার্নিকাট।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এটি শুধু আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয় বরং আমার দূতাবাস এবং অন্যান্য মার্কিন সংস্থাগুলো গণতন্ত্রের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে সে সাফল্য দেখিয়েছে সে অর্জন সবার।
বাংলাদেশকে একটি সফল দেশ হিসাবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, ‘আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি আমি যেখানে যাবো সেখানে বাংলাদেশের সফলতার গল্প বলবো।’
রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকারের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এই দুস্থ লোকগুলোকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের প্রশংসা করে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য ওয়াশিংটন রাজনৈতিক ও মানবিক সহায়তা দিচ্ছে বলেও তিনি জানান।
তবে তার গাড়িবহরে হামলার বিষয়টিকে অত্যন্ত ঘৃণ্য কাজ হিসেবে আখ্যায়িত করেন তিনি।
এই ধরনের হামলা শুধুমাত্র বাংলাদেশে নয়, পৃথিবীর অন্য প্রান্তেও অত্যন্ত কম ঘটে থাকে।
তিনি বলেন, ‘আমরা এর পূর্ণ তদন্ত রিপোর্ট দেওয়ার জন্য বারবার বলবো এবং যারা এর জন্য দায়ী তাদেরকে বিচারের আওতায় আনা হোক এটা আমরা চাই।’
তিনি বলেন, আমার সরকার এখনও এই রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশের সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এবং আমার কাছে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চেয়েছে এজন্য আমি কৃতজ্ঞ। কিন্তু এটি কিভাবে হলো, কিভাবে ইউনিফর্ম পরিহিত পুলিশের সামনে এই ঘটনা ঘটলো তা উদঘাটন প্রয়োজন।’ তিনি বলেন, ‘এই ধরনের ঘটনা শুধুমাত্র রাষ্ট্রদূতদের ক্ষেত্রে নয় অন্য মানুষের ক্ষেত্রেও যেন না হয়।’








