অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন,গত তিন বছরে দেশে ইলেকট্রনিক কর শনাক্তকরণ নম্বরধারীর (ই-টিআইএন) সংখ্যা প্রায় তিনগুণ বেড়েছে। ২০০৮ সালে এর সংখ্যা ছিল মাত্র ৭ লাখ এবং ২০১৫ সালে এটি বেড়ে দাঁড়ায় ১৫ লাখ। এখন পর্যন্ত সেটা ৩৮ লাখে পৌঁছেছে। এই সংখ্যা অল্প সময়ের ব্যবধানে এক কোটি ছাড়াবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সোমবার সচিবালয়ে নিজ দফতরে অনলাইনে আয়কর বিবরণি (রিটার্ন) দাখিলের পর তিনি একথা বলেন।
এসময় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য কালিপদ হালদার, জাতিসংঘে সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এম এ মোমেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘২০০৭-০৮ সালে মানুষ ভয় পেত। এখন আর আর সে অবস্থানে নেই। তরুণরা এখন আনন্দের সঙ্গে ট্যাক্স দেয়। এটা সম্ভব হয়েছে ট্যাক্স মেলার জন্য। এজন্য ট্যাক্স মেলা আমার কাছে ভালো লাগে। তরুণরা মনে করে দেশ আমাদের জন্য কাজ করছে। সে কাজে নিজেদের অংশগ্রহণকে নিশ্চত করতে তরুণরা কর দেয়।’
অর্থমন্ত্রী ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ২ লাখ ২২ হাজার ৯২২ টাকার কর প্রদান দেন। এর মধ্যে বেতন থেকে নেওয়া হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৪৪৩ টাকা।
নির্বাচনের আগে খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল করা নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে মুহিত বলেন, ‘নির্বাচনের আগে এটা হলে সরকারের আয় বাড়ে। এছাড়া এ বিষয়টি ব্যাংক ও গ্রাহকের মধ্যেকার ব্যাপার। আর এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর কাছে কোনও অভিযোগ আসেনি।’
তিনি বলেন, ‘আমার একটা দুঃখ ছিল বাজেটের আকার নিয়ে। এখন সেটা অনেক বড় হয়েছে। এ কারণে জনসেবার বিস্তৃতি ঘটেছে।’ খবর বাসস।








