চতুর্থ বিষয়ের নম্বর যুক্ত না হওয়ায় জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষায় এ বছর জিপিএ-৫ কম পেয়েছে শিক্ষার্থীরা। সোমবার (২৪ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ একথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সরকার শিক্ষা ব্যবস্থায় নানামুখী সংস্কার করছে। উন্নত বিশ্বের মতো শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা তৈরি করা হচ্ছে। এ লক্ষ্য সামনে রেখে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় কিছু বিষয়ে ধারাবাহিক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীর নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান ধারাবাহিক মূল্যায়নের কাজটি করে। ধারাবাহিক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু হওয়ায় এ বছর জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় বোর্ডের ফল প্রক্রিয়াকরণে চতুর্থ বিষয় বিবেচনা করা হয়নি। এ কারণে গত বছরের তুলনায় এ বছর জিপিএ-৫ পাওয়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে।’
জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় এবছর জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ২৮ হাজার ১৯০ জন, গতবছর যা ছিল ৮০ হাজার ৮৯৮ জন। এবছর মোট জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৫২ হাজার ৭০৯ জন।
জেএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ৬৬ হাজার ১০৮ জন (সকল বিষয়ে), গত বছর ছিল ১ লাখ ৮৪ হাজার ৩৯৭ জন (৪র্থ বিষয়সহ)। এবছর কমেছে ১ লাখ ১৮ হাজার ২৮৯ জন। চতুর্থ বিষয় না থাকায় এবার জিপিএ-৫ কমেছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
জেডিসিতে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ হাজার ৯৮৭ জন (সকল বিষয়ে), গত বছর ছিল ৭ হাজার ২৩১ জন (চতুর্থ বিষয়সহ)। এবার কমেছে ৫ হাজার ২৪৪ জন ।








