রাত পোহালেই নির্বাচন। এরই মধ্যে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সারাদেশে একযোগে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভোট গ্রহণ চলবে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জনকারী বিএনপি ও তাদের মিত্ররাসহ দেশের নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দলেল সবাই এবারের নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত সরকার ও নির্বাচন কমিশনের জন্য এবারের নির্বাচনটি একটি বড় পরীক্ষা।
সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সর্বাত্মক প্রস্তুতির কথা জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেছেন, এই নির্বাচন অবশ্যই উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। বিরোধী দলের সব অভিযোগ ভুল প্রমাণিত হবে।
১০ ডিসেম্বর নির্বাচনি প্রচার শুরুর দিন থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সহিংসতার অভিযোগ আসতে থাকে ইসিতে। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট এবং বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের থেকে আসে পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ। নির্বাচনি প্রচার শুরুর পর প্রায় প্রতিদিনই তারা ইসিতে এক অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে।
দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে রবিবার ২৯৯টিতে ভোটগ্রহণ হবে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে গাইবান্ধা-৩ আসনের ভোট পুনঃতফসিলের মাধ্যমে ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
ভোটের তথ্য: ইসির তথ্যানুযায়ী, দেশের ৩০০ আসনে ভোটকেন্দ্র ৪০ হাজার ১৮৩টি। ভোটকক্ষ ২ লাখ ৭ হাজার ৩১২টি। ভোটার সংখ্যা ১০ কোটি ৪২ লাখ ৩৮ হাজার ৬৭৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫ কোটি ২৫ লাখ ৭২ হাজার ৩৬৫ জন ও নারী ৫ কোটি ১৬ লাখ ৬৬ হাজার ৩১২ জন।
প্রার্থী ১৮৬১ জন: ২৯৯ আসনে ১ হাজার ৮৬১ প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এর মধ্যে দলীয় প্রার্থী ১ হাজার ৭৩৩ জন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ১২৮ জন। এর আগে নির্বাচনে ৩৯ দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলে এবার ৩০৬৫টি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে দলীয় মনোনয়নপত্র জমা পড়ে মোট ২ হাজার ৫৬৭টি ও স্বতন্ত্র ৪৯৮টি। বাছাইয়ে ২ হাজার ২৭৯টি মনোনয়নপত্র বৈধ হয়।
নির্বাচনি সামগ্রী: আসনভিত্তিক সর্বশেষ নির্বাচনি সামগ্রী ব্যালট পেপার পৌঁছে গেছে। এর আগেই ভোটের অন্য সরঞ্জামাদি যেমন- অমোচনীয় কালির কলম, সিলগালা, মার্কিং ও ব্রাসসিল পাঠানো হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে প্রতিটি কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারে হস্তান্তর শুরু হয়েছে। প্রিজাইডিং অফিসার সামগ্রী বুঝে নিয়ে পুলিশের নিরাপত্তা সহকারে সন্ধ্যার আগেই কেন্দ্রে গিয়ে অবস্থান করবেন।
দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক ২৬ হাজার: এবারের নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আগ্রহ দেখালেও কমিশন এই সংখ্যা কিছুটা কমিয়ে এনেছে। নির্বাচন ওআইসি, কমনওয়েলথসহ কয়েকটি সংস্থার ইসির আমন্ত্রিত ও স্বেচ্ছায় আসা ৩৮ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক থাকছেন। এর বাইরে কূটনৈতিক ও বিদেশি মিশনের ৬৪ কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশস্থ দূতাবাস, হাইকমিশন ও বিদেশি সংস্থায় নিয়োজিত ৬১ জন বাংলাদেশি কর্মকর্তা পর্যবেক্ষণে থাকবেন।
এছাড়া দেশীয় ৮১টি পর্যবেক্ষক সংস্থার ৩৪ হাজারের বেশি পর্যবেক্ষক আবেদন করলেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ২৫ হাজার ৯০০ জনকে।
বন্ধ মোবাইল ব্যাংকিং: সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে টাকার ছড়াছড়ি বন্ধে শুক্রবার বিকাল ৫টা থেকে ৩০ ডিসেম্বর বিকাল ৫টা পর্যন্ত মোবাইলে এজেন্ট ব্যাংকিং ও পোস্টাল মানি অর্ডার বন্ধ রাখা থাকছে। নির্বাচন কমিশন এ সময়ে সীমিত আকারে (৫০০০) ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে লেনদেনের পক্ষে মত দিলেও বাংলাদেশ ব্যাংক এই সময় পুরো মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন।
যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা: নির্বাচন উপলক্ষে শুক্রবার মধ্যরাত থেকে মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে ১ জানুয়ারি মধ্য রাত ১২টা পর্যন্ত। তবে, নির্বাচন কমিশনের স্টিকার ব্যবহৃত সাংবাদিকদের মোটরসাইকেল চলাচল করতে পারবে। এছাড়া শনিবার মধ্যরাত থেকে ২৪ ঘণ্টার জন্য দূরপাল্লার যানসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচলে বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তবে কমিশনের অনুমোদিত পরিচয়পত্রধারীদের মোটরসাইকেল ও গাড়ি চলাচল করবে। যান চলাচলের নিষেধাজ্ঞার সময় রিটার্রিং কর্মকর্তার অনুমতি সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনি এজেন্ট, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকরা (পরিচয়পত্র থাকতে হবে) চলাচল করতে পারবেন। তাছাড়া নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত সাংবাদিক (পরিচয়পত্র থাকতে হবে), নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, নির্বাচনের বৈধ পরিদর্শক ও কতিপয় জরুরি সেবা যেমন: অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ডাক, টেলিযোগাযোগ ইত্যাদির কাজে নিয়োজিত যানবাহনে নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
হেলিকপ্টার চলাচলে নিষেধাজ্ঞা: নির্বাচন উপলক্ষে ২৯ ডিসেম্বর মধ্য রাত ১২টা থেকে ৩০ ডিসেম্বর মধ্য রাত ১২টা পর্যন্ত কিছু যন্ত্রচালিত যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এ বিষয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে, জরুরি রোগী পরিবহন বা হাসপাতাল সেবা, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা এবং ওষুধ ও জরুরি পণ্য পরিবহনে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা যাবে।
প্রায় সাত লাখ নিরাপত্তা বাহিনী: এ নির্বাচনের নিরাপত্তায় সেনা সদস্যসহ নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৬১০ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে ভোট কেন্দ্রের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন ৬ লাখ ৮ হাজার ও বাকি ৬৮ হাজার ৬১০ জন কেন্দ্রের বাইরে স্ট্রাইকিং ফোর্স, মোবাইল টিমসহ অন্যান্য দায়িত্বে রয়েছেন। ভোট কেন্দ্রের নিয়োজিত বাহিনীগুলোর মধ্যে পুলিশ ১ লাখ ২১ হাজার, আনসার ৪ লাখ ৪৬ হাজার, গ্রাম পুলিশ ৪১ হাজার সদস্য রয়েছেন। আর ভোট কেন্দ্রের বাইরে মোতায়েন করা বাহিনীর মধ্যে ৩৮৯টি উপজেলায় সেনাবাহিনী ৪১৪ প্লাটুন (১২ হাজার ৪২০ জন), নৌবাহিনী ১৮ উপজেলায় ৪৮ প্লাটুন (১৪৪০ জন), কোস্টগার্ড ১৮ উপজেলায় ৪৮ প্লাটুন (১ হাজার ২৬০জন), বিজিবি ৯৮৩ প্লাটুন (২৯ হাজার ৪৯০ জন), র্যাব ৬০০ প্লাটুন (১৮ হাজার) এবং র্যাবসহ মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স ২ হাজার প্লাটুন (প্রায় ৬৫ হাজার)। এছাড়া নির্বাচনে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৬৪০ জন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ১ হাজার ৩২৮ জন (এর মধ্যে ৬৫২ জন আচরণবিধি প্রতিপালনের জন্য) মাঠে রয়েছেন।
রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা: দেশের সব সংসদীয় আসনের নির্বাচন শেষ করতে ৬৬ জন রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬৪ জেলায় সমসংখ্যক এবং ঢাকা ও চট্টগ্রামে দুই বিভাগীয় কমিশনার এ দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সহায়তা করতে ৫৮২ জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন এ নির্বাচনে।
ছয় আসনে ইভিএম ব্যবহার : প্রথমবারের মতো এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করে ভোটগ্রহণ করা হবে। আসনগুলো হচ্ছে- ঢাকা-৬, ঢাকা-১৩, চট্টগ্রাম-৯, রংপুর-৩, খুলনা-২ এবং সাতক্ষীরা-২ আসন। এসব আসনের ৮৪৫টি কেন্দ্রের ৫ হাজার ৩৮ ভোটকক্ষে এ মেশিন ব্যবহার করা হবে। প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচনে ইভিএমে ভোট নেওয়ার সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এসব আসনে ৪৮ প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। ছয় আসনের মোট ২১ লাখ ২৪ হাজার ৫৪৪ ভোটার এই যন্ত্রের মাধ্যমে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১০ লাখ ৮৫ হাজার ৫২, নারী ভোটার ১০ লাখ ৩৯ হাজার ৫০২ জন। আগামীকাল এসব আসনের ৮৪৫টি কেন্দ্রের ৫ হাজার ৪৫টি ভোট কক্ষে ইভিএম ব্যবহৃত হবে।
ভোটপ্রদানে এনআইডির প্রয়োজন নেই: নির্বাচনে ভোট প্রদানের জন্য স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বা পেপার লেমিনেডেট পরিচয়পত্রের কোনও প্রয়োজন নেই। ভোটাররা তাদের ভোটার নম্বর (ভোটার স্লিপ) নিয়ে নিজ নিজ ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। তবে, ইভিএমের কেন্দ্রগুলোতে স্মার্ট কার্ড বা ভোটার নম্বর নিয়ে গেলে ভোট দেওয়া সহজ হবে বলে জানিয়েছে ইসি। অবশ্য এক্ষেত্রেও এনআইডি সঙ্গে না নিয়ে ভোট প্রদানে বেগ পেতে হবে না।
রাজধানীর ভোটাররা এসএসএস-এ জানতে পারবে ভোটার নম্বর: রাজধানী ঢাকা মহানগরীর ভোটাররা এসএমএসের মাধ্যমে ভোটার এলাকা, ভোটার কেন্দ্র ও কেন্দ্রের নম্বর পাওয়া যাবে। আজ শনিবার থেকে এ সেবা চালু হয়েছে বলে কমিশন থেকে জানানো হয়েছে। এক্ষেত্রে যেকোনও মোবাইল থেকে pc লিখে স্পেস দিয়ে ১৭ ডিজিটের এনআইডি অথবা ১০ ডিজিটের স্মার্ট আইডি নম্বর লিখে ১০৫ নম্বরে এসএমএস করলে ফিরতি এসএসএম এ জানা যাবে ভোটার নম্বর ও কেন্দ্রের নাম।
যেভাবে ইভিএমে ভোট দেওয়া যাবে: ইভিএমে ভোট দেওয়ার সময় ইলেকট্রিক যন্ত্রের মাধ্যমে আঙুলের ছাপ, ভোটার নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা স্মার্ট পরিচয়পত্র ব্যবহার করে ভোটার শনাক্ত করা হয়। ভোটকক্ষে একজন পোলিং অফিসার ভোটার ভেরিফিকেশন বা শনাক্তের কাজটি করবেন। প্রতিটি ভোটকক্ষে নির্ধারিত ভোটারের জন্য সংরক্ষিত ডাটাবেজে ভোটারের প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। ডেটাবেজে ভোটার বৈধ বা অবৈধ কিনা তা প্রজেক্টরের মাধ্যমে শনাক্ত করবেন পোলিং এজেন্টরা। ভোটার বৈধ হলে মেশিনে কুইক রেসপন্স কোড (QR CODE) এবং কিছু তথ্য সংবলিত একটি টোকেন প্রিন্ট হবে, যা ভোটারকে দেওয়া হয়।ভোটার টোকেন নিয়ে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কাছে গেলে ভোটিং মেশিনের কুইক রেসপন্স কোড স্ক্যানারের মাধ্যমে টোকেন শনাক্ত করে ব্যালট ইস্যু করা হবে। ভোটার পছন্দের প্রার্থী ও প্রতীক দেখে বাম দিকের বোতামে চাপ দিয়ে সিলেক্ট বা নির্বাচন করবেন। ওই ব্যালট ইউনিটে সবুজ রঙের কনফার্ম বোতামে চাপ দিলে তার ভোট দেওয়া হয়ে যাবে।
ভুল প্রতীক সিলেক্ট করলে করণীয়: কোনও ভোটার ইভিএমে ভুল প্রতীক সিলেক্ট করলে তা দুইবার বাতিল করে কাঙ্ক্ষিত প্রতীক নির্বাচন করে ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ভুল প্রতীক সিলেক্ট করলে ব্যালট ইউনিটের লাল রঙের ক্যান্সেল বোতাম চেপে পরে যে কোনও প্রার্থীকে ফের সিলেক্ট করা যাবে। এভাবে একজন ভোটার সিলেক্ট করা প্রতীক দু’বার ক্যান্সেল করতে পারবেন। তবে তৃতীয়বার যেটি সিলেক্ট করা হবে, সেটি চূড়ান্তভাবে বৈধ ভোট হিসেবে গৃহীত হবে।
ইভিএমে ভোট দিতে গিয়ে কোনও ভোটারের আঙুলের ছাপ কিংবা চোখের আইরিশ যদি কোনও কারণে ম্যাচিং না হয়, তাহলে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারের মাধ্যমে তিনি ভোট দিতে পারবেন। এক্ষেত্রে ওই ভোটার তার ভোটার আইডি নম্বর নিয়ে গেলে অথবা ভোটার আইডি নম্বর মুখস্থ বলতে পারলে এবং তা সঠিক হলে ভোট কক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওই ভোটারের পছন্দ অনুযায়ী প্রার্থীকে ভোট দিয়ে দেবেন। সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এভাবে ওই কক্ষের মোট ভোটারের ২৫ শতাংশ ভোট দিতে পারবেন।
কেন্দ্রীয়ভাবে ফলাফল ঘোষণা: প্রতিটি ভোটকেন্দ্রেই কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল ঘোষণা হবে। ভোট গণনা শেষে প্রিজাইডিং অফিসার লিখিত ফলাফল কেন্দ্রে সংশ্লিষ্টদের সরবরাহ করবেন। পরে এ ফলাফল রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠাবেন। রিটার্নিং অফিসাররা তা ইসিতে পাঠাবেন। ইসির ফোয়ারা প্রাঙ্গণে স্থাপিত মঞ্চ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করা হবে। এ চত্বরে ইসি দশটি মনিটরের মাধ্যমে ফলাফল প্রদর্শন করা হবে।








