‘বর্তমান সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার গ্রামে শহরের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া। এ সুবিধা নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের গতিশীলতা আরও বাড়াতে হবে। তা হলে গ্রামের মানুষ উন্নত জীবনযাত্রার সুবিধা পাবেন। এতে করে নগরমুখী জনশ্রোত রোধ করা যাবে এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধাও নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’ মঙ্গলবার (৮ জানুয়ারি) নবনিযুক্ত গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ. ম. রোজাউল করিম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে পরিচিতি ও মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের বিষয়ে অবহিতকরণ সভায় এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘একটি টিমওয়ার্কের মাধ্যমে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করলে সরকারের বর্তমান মেয়াদেই দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গ্রামে শহরের সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একজন সৎ,পরিশ্রমী, নিষ্ঠাবান এবং জনগণের কল্যাণে সর্বদা নিবেদিত নেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশ্বব্যাপী পরিচিতি রয়েছে। সেই গুণাবলীকে ধারণ করে সেবার মনোভাব নিয়ে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে মন্ত্রণালয়ের সবাইকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের ত্রুটি-বিচ্যুতি সম্পর্কে নীতি-নির্ধারকদের জানানোর জন্য গণমাধ্যমে সংবাদ পরিবেশন করা হয়। সঠিত, তথ্য নির্ভর ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করা হলে অবশ্যই তার আলোকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।’ এ বিষয়ে তিনি গণমাধ্যমের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।
সভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব মো. আখতার হোসেন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহমান, প্রধান স্থপতি কাজী গোলাম নাসির, গণপূর্ত অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খোরশেদ আলম, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. রাশিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আব্দুচ সালাম, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে. কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমেদ, এইচবিআরআই’র পরিচালক মোহাম্মদ শামীম আখতার, নগর উন্নয়ন অধিদপ্তফতরের পরিচালক ড. খুরশীদ জাবিন হোসন তৌফিকসহ মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।








