কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে ভাঙচুরের ঘটনায় আটক শ্রমিকদের মুক্ত করার চেষ্টা করছে সেখানকার বাংলাদেশি কূটনীতিকরা।
কুয়েতের একটি কোম্পানিতে কর্মরত একদল বাংলাদেশি শ্রমিক তিন মাস ধরে বেতন না পাওয়ায় উত্তেজিত হয়ে বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশ দূতাবাস ঘেরাও ও ভাঙচুর করে। এসময় দূতাবাসের তিন জন কর্মকর্তা আহত হন।
শুক্রবার (১৮ জানুযারি) বিকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা তাদের ছাড়ানোর জন্য ইতোমধ্যে কুয়েত কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি।’
তিনি আরও জানান, দূতাবাসের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ আনা হয়নি। আশা করছি, এ কারণে তাদের অপরাধকে খাটো করে দেখা হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘যে কোম্পানিতে বাংলাদেশি ওই শ্রমিকরা কর্মরত ছিলেন, তাদের সঙ্গে আমাদের রাষ্ট্রদূত যোগাযোগ করেছেন। তারা বকেয়া বেতন এবং ইকামা পুনরায় নবায়নের বিষয়ে সম্মত হয়েছেন এবং আগামী মাসের মধ্যে এটি হবে।’
প্রসঙ্গত, লেসকো নামের কুয়েতি ওই কোম্পানিতে কয়েকশ’ বাংলাদেশি কর্মরত আছেন। তাদের অভিযোগ— গত তিন মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না। এছাড়া, ইকামা পরিবর্তনের সুবিধা না থাকায় ক্ষুব্ধ হয়ে তারা এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র।








