চিকিৎসকদের পদায়ন ও বদলির জন্য কখনো কখনো এমন জায়গা থেকে তদবির আসে যা উপেক্ষা করা সম্ভব হয় না বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহেদ মালিক।
বৃহস্পতিবার (৩১ জানুয়ারি) সচিবালয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) গঠিত প্রতিষ্ঠানিক টিমের ‘স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতির উৎস চিহ্নিত ও তা প্রতিরোধে ২৫ দফা সুপারিশ সংবলিত প্রতিবেদন’ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ মন্তব্য করেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রীর হাতে প্রতিবেদনটি তুলে দেন দুদক কমিশনার মোজাম্মেল হক খান।
জাহেদ মালিক বলেন, ‘দুর্নীতি থাকলে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আমরা চাই, সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হোক।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে আমরা যে সেবা দিয়ে থাকি, সেখানে যাতে কোনও দুর্নীতি না হয়, আমরা সেই চেষ্টা করবো।’
এসময় দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান বলেন, ‘পদায়ন-বদলির ক্ষেত্রে মাফিয়া চক্র রয়েছে। এ বিষয়টিও আমরা দেখবো। যোগ্যতার ভিত্তিতেই পদোন্নতি হওয়া উচিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেখানে যাকে পোস্টিং দেওয়া দরকার, ট্রান্সফার করা দরকার, যার যেখানে প্রয়োজন, সেখানে সে যাবে। তোয়াজ-তদবিরে পোস্টিং হবে না।’
এপর্যায়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভালো লোক থাকলে আমরা কাজে স্বচ্ছতা আনতে পারবো। ভালো যন্ত্রপাতি, ওষুধপত্র পাবো। অর্থের অপচয় হবে না।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে মনিটরিং সেল করছি। মন্ত্রণালয়ের সচিব সেটা নিয়ে কাজ করছেন। মন্ত্রণালয়, অধিদফতর, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়েও এই সেল থাকবে, এটা একটা নেটওয়ার্কিং। সবকিছু মনিটর করবো, অর্থাৎ ডাক্তার-নার্স ও অন্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতি, যন্ত্রপাতি সচল আছে কিনা, ওষুধপত্র আছে কিনা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা আছে কিনা, পানি আছে কিনা, টয়লেটগুলো ফাংশনাল কিনা –এই বিষয়গুলো নিশ্চিত করবে সেল।’
জানা গেছে, স্বাস্থ্য বিভাগের ঢাকা অফিসের যে ২৩ জন কমকর্তা ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে দুদক দুর্নীতির অভিযোগ এনে তাদের বিরদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছিল, মন্ত্রণালয় তাদের দেশের বিভিন্ন স্থানে বদলি করেছে।








