প্রধানমন্ত্রীর দফতরের মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান বলেছেন, কিছু সংখ্যক রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তরের জন্য জাতিসংঘের সঙ্গে আলোচনা করছে সরকার। তিনি বলেন, ‘আমরা ভাসানাচরে নতুন কিছু অবকাঠামো তৈরি করেছি। জাতিসংঘ আবাসিক সমন্বয়কারী, জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করছি এ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে।’
রবিবার ঢাকার একটি হোটেলে মিটিংয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
নজিবুর রহমান বলেন, ‘সরকার রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে নিতে চায়। কারণ, বর্ষা মৌসুমে অনেকেই ভূমিধসের ঝুঁকিতে আছেন।’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে কাজ করছি। রোহিঙ্গাদের জন্য আমাদের মিনিমাম স্ট্যান্ডার্ড রক্ষা করতে হবে। না হলে আপনারাই বলবেন মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে।’
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পরিচালক মাইকেল ক্লেইন সলোমোন বলেন, ‘আগে উদ্বাস্তু সংকট হলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তেমনভাবে এগিয়ে আসতো না। কিন্তু বর্তমানে অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে। আমরা আশাবাদী তারা আরও বড় আকারে এগিয়ে আসবে।’
বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত ম্যারি এনিক বরদিন বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গোটা বিশ্বে, বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ায় নাটকীয়ভাবে উদ্বাস্তুর সংখ্যা বাড়ছে।’
আগামী জুন থেকে প্ল্যাটফর্ম অফ ডিজাসটার ডিসপ্লেসমেন্টের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেবে ফ্রান্স। বর্তমানে এর চেয়ারম্যান বাংলাদেশ।








