আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে ভারপ্রাপ্ত শিল্প সচিব মো. আবদুল হালিমকে না পেয়ে ক্ষুব্ধ হলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান। রাজধানীর চকবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ নিয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। রবিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান।
২০১০ সালে নিমতলীর অগ্নিকাণ্ডের পর গঠিত কমিটির সুপারিশগুলো তুলে ধরে সভায় ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শাহ কামাল বলেন, ‘প্রথম সুপারিশ ছিল জরুরি ভিত্তিতে আবাসিক এলাকা থেকে রাসায়নিক গুদাম বা কারখানা সরিয়ে নেওয়া। এখনকার (বর্তমান ঘটনায় গঠিত কমিটি) সব কমিটির সুপারিশেও এটা আছে।’
মুখ্য সচিবের উদ্দেশে সচিব শাহ কামাল বলেন, ‘স্যার আমাদের এখন টাইমলাইন দিয়ে দিতে হবে। যে কত দিনের মধ্যে দাহ্য পদার্থ সরবে। আর এর দায়িত্ব কিন্তু শিল্প মন্ত্রণালয়ের। আমার মনে হয়, শিল্প মন্ত্রণালয়ের যিনি প্রতিনিধিত্ব করছেন, আপনি বলতে পারেন; কত তারিখের মধ্যে আপনারা এটা সরিয়ে নেবেন।’
তখন শিল্প মন্ত্রণালয়ের ও0ই কর্মকর্তা বলেন, ‘স্যার গুদাম তো আমরা নিয়ন্ত্রণ করি না। লাইসেন্স তো আমরা দেই না।’ এ সময় মুখ্য সচিব ওই কর্মকর্তার কাছে জানতে চান, ‘শিল্প সচিব মহোদয় কোথায়?’ ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘শিল্প সচিব মহোদয় বরিশাল গেছেন, ওখানে আরেকটি প্রোগ্রাম আছে।’ তারপর নজিবুর রহমান শিল্প মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তাকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ছিল প্রায়োরিটি বেসিসে করতে হবে। প্রায়োরিটি ডিসপ্লেসড, প্লিজ কনভে দিস ম্যাসেজ- (সচিবকে বলবেন)। প্রায়োরিটি হ্যাজ বিন সিরিয়াসলি ডিসপ্লেসড হেয়ার (এখানে অগ্রাধিকার নির্ধারণের ক্ষেত্রে ভীষণ বিচ্যুতি হয়েছে)।
উল্লেখ্য, ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে চকবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬৭ জন নিহত ও অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হন। আহতদের মধ্যে ৯ জনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।








