সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালকদের ডোপ টেস্ট করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘চালকদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। ডোপ টেস্ট ছাড়া কোনও চালক রাস্তায় নামতে পারবে না। এই পরীক্ষার মাধ্যমে চালক নিয়োগ দেওয়া হলে তারা আর নেশাজাতীয় অপরাধের সঙ্গে জড়াতে পারবে না।’ তবে এটি বাস্তবায়নের জন্য কিছুদিন সময় চেয়েছেন মেয়র।
বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে ডিএনসিসি’র কনফারেন্স রুমে সরকারি অন্যান্য সংস্থার প্রতিনিধি ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন মেয়র আতিকুল ইসলাম। সড়ক দুর্ঘটনায় বিইউপি শিক্ষার্থী আবরারের মৃত্যুর ঘটনায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠকের ধারাবাহিকতায় এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
এ সময় শিক্ষার্থীরা বেশকিছু দাবি তুলে ধরেছেন। সেগুলো হলো- ফুটওভার ব্রিজ না বসিয়ে জেব্রাক্রসিং স্থাপন করা, প্রতিটি জেব্রাক্রসিংয়ে সিসিটিভি স্থাপন করা, ২০২০ সাল থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যবইয়ে ট্রাফিক আইন সম্পর্কে একটি অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত করা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালানো, ডিজিটাল ট্রাফিক সিগন্যাল স্থাপন করা, ৬টি বাস কোম্পানির মাধ্যমে বাস ফ্রেঞ্চাইজের দ্রুত বাস্তবায়ন করা, পর্যাপ্ত ড্রাইভিং স্কুল স্থাপন করা, চুক্তিভিত্তিক বাস চালানো বন্ধ করা, লাইসেন্সবিহীন ড্রাইভারকে দিয়ে বাস সার্ভিস পরিচালনা বাস মালিকের বিচার করা।
ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি দক্ষিণের মেয়রের সঙ্গে কথা বলব, বাস মালিক ও চালকদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।’
মেয়র আরও বলেন, ‘আমরা অনেক কাজ শুরু করেছি। তার মধ্যে লাল রঙ দিয়ে বাস স্টপেজ লেখা নিশ্চিত করা হবে। জেব্রাক্রসিং ও পুস বাটন ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু করা হবে। এবার শুধু জেব্রাক্রসিং নয়, ফ্লাস লাইট সিস্টেমও চালু হবে।’ এছাড়া প্রগতি সরণিকে মডেল সড়কে রূপান্তর করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান মেয়র।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. আব্দুল হাই প্রধান, প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ যুবায়ের সালেহীন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক বিভাগ) মীর রেজাউল আলম, বিআরটিএ পরিচালক (রোড সেফটি) শেখ মোহাম্মদ মাহবুব-ই-রব্বানী প্রমুখ।








