অভিবাসন খাতে সেবা প্রদান ও অভিবাসী শ্রমিক দেশে ফিরে এসে আয়ের অর্থ দিয়ে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করায় ১৬ জনকে পুরস্কৃত করেছে রেফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (রামরু)। রবিবার (২৮ এপ্রিল) বিকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে তাদেরকে সম্মাননা দেওয়া হয়। অভিবাসন ও সোনার মানুষ সম্মিলন ২০১৯-এ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রকাশ প্রকল্পের দলনেতা জেরি ফক্স।
টাঙ্গাইলের মো.জাফর ইকবাল প্রবাসে শ্রমিক হিসেবে কাজ করে উপার্জিত অর্থ দিয়ে দেশে গরুর খামার করে এবং ইটভাটা করে ৩শ লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছেন। অন্যদিকে কক্সবাজারের সুরত আলম ১২ বছরের প্রবাস জীবন শেষ করে এসে মুরগির খামার, রাবার বাগান এবং মাছ চাষ করে স্থানীয় প্রায় ১শ লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছেন। তারা দুইজনই পেয়েছেন সোনার মানুষ সম্মাননা।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের আব্দুর রশিদের স্ত্রী সৌদি আরবে গৃহকর্মীর কাজ করছেন। আব্দুর রশিদ নিজে তাই ঘরের সব কাজ করেন। এর পাশাপাশি ছেলেকে স্কুলে আনা নেওয়াও করেন তিনি। স্ত্রী বিদেশে কাজ করাকে কেউ কেউ নেতিবাচক হিসেবে ব্যাখ্যা করলেও তিনি তা মনে করেন না। তবে তিনি মনে করেন বিদেশে আয়ের উন্নতি হলে সেটা ভালো। আব্দুর রশিদকে তাই দেওয়া হয়েছে সোনার মানুষ পরিবার সম্মাননা।
এছাড়া সোনার মানুষ পরিবার সম্মাননা পেয়েছে আরও চার অভিবাসী শ্রমিকের সন্তানেরা। তারা হলেন, ঢাকার দোহারের অথৈ আজাদ মিম, লক্ষ্মীপুরের হাসিব হোসেন, মুন্সিগঞ্জের সাদিয়া আক্তার এবং দোহারের নাফিউর রহমান আদিব ও নাদিউর রহমান পৃথিব।
সোনার মানুষ সেবা সম্মাননা পেয়েছেন ৯ জন। এরা হলেন, ডিসট্রিক্ট এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড ম্যানপাওয়ার অফিস কুমিল্লার (ডেমো) সহকারী পরিচালক দেবব্রত ঘোষ, টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক কার্তিক চন্দ্র দেবনাথ, সিলেটের সহকারী পরিচালক মীর কামরুল হোসেন এবং ফরিদপুরের সহকারী পরিচালক স্বস্তি পদ রায়, টাঙ্গাইল টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারের (টিটিসি) অধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার কামরুজ্জামান, গাইবান্ধা টিটিসি’র ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আতিকুর রহমান, রংপুর টিটিসি’র অধ্যক্ষ লুতফর রহমান, বরিশাল টিটিসির অধ্যক্ষ সাজ্জাদ হোসেন ভুঁইয়া ও পাবনা টিটিসির অধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার এস এম এমদাদুল হক।








