রাজধানীতে বৃষ্টির কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করতে আসা মুসল্লিরা। বুধবার (৫ জুন) সকাল থেকে নগরজুড়ে মুষলধারে বৃষ্টির কারণে এমন দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। এতে নগরীর প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে বিভিন্ন সড়কে পানি জমে যায়। সড়কে পানি ও মসজিদে স্থান সংকুলান না হওয়ায় পাড়ার মসজিদগুলোতে অনেকেই নামাজ আদায় করতে পারেননি।
জাতীয় ঈদগাহ মাঠে গিয়ে দেখা যায়, নিরাপত্তাকর্মীদের তল্লাশির কারণে প্রবেশ পথে দীর্ঘ লাইন, আর বৃষ্টির কারণে দুর্ভোগে পোহাতে হচ্ছে মুসল্লিদের। ফলে বাধ্য হয়েই অনেকে ফিরে গেছেন জাতীয় মসজিদ বাইতুল মোকাররমে।
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে সকাল ৭টায় ঈদের প্রধান জামাত শেষ হয়। সকাল সাড়ে ৮টায় দ্বিতীয় জামাত শেষ হলেও বৃষ্টির কারণে মুসল্লিরা মসজিদ থেকে বের হতে পারেনি। অন্যদিকে, তৃতীয় জামাতের জন্য আসা মুসল্লিদেরকে মসজিদের ভেতরে প্রবেশে হিমশিম খেতে হয়েছে।
নগরীর অধিকাংশ মসজিদে সকাল ৮টায় ঈদের জামাত নির্ধারিত ছিল। জামাতে শরিক হতে মুসল্লিরা মসজিদে যাওয়ার সময় হানা দেয় বৃষ্টি। এসময় সড়কগুলোতে পানি জমে যায়। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন মুসল্লিরা। নগরীর প্রায় প্রতিটি মসজিদে এমন অবস্থার খবর পাওয়া গেছে।
সকালে নগরীর খিলগাঁওয়ের প্রভাতীবাগ জামে মসজিদে গিয়ে দেখা গেছে, মসজিদের ভেতরে নামাজ আদায়ের পাশাপাশি বাইরের সড়কেও ত্রিপল (সামিয়ানা) দিয়ে নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু বৃষ্টির কারণে সড়কে পানি জমে যাওয়ায় সড়কে নামাজ আদায় করা যায়নি।
এ মসজিদের নামাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে সড়কের একটি ম্যানহোলে পড়ে যান স্থানীয় বাসিন্দা মাহমুদ আলী। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, বৃষ্টিতে রাস্তায় পানি জমে যাওয়ায় কিছুই দেখা যায়নি। এ কারণে তিনি পড়ে গেছেন।
এদিকে, আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল অতিক্রম করে পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে ঢাকা, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আরও পড়ুন:
ঈদের সকালে রাজধানীতে মুষলধারে বৃষ্টি








