ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হজযাত্রীদের জেদ্দা অংশের ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার কথা থাকলেও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তা হয়নি। হজফ্লাইট শুরুর প্রথম দিন বৃহস্পতিবারেই (৪ জুলাই) ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে হজযাত্রীদের। যদিও এ কার্যক্রমের জন্য হজযাত্রীদের ফ্লাইটের ৮ ঘণ্টা আগে রিপোর্ট করতে হয়েছিল।
হজযাত্রী নিয়ে সৌদি আরবের উদ্দেশে বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ১০ মিনিটে ঢাকা ছাড়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রথম হজফ্লাইট। বিজি-৩০০১ ফ্লাইটি ৪১৭ জন হজযাত্রী নিয়ে সৌদি আরব সময় সকাল ১০ টা ১৭ মিনিটে কিং আব্দুল আজিজ আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দরে অবতরণ করে।
হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সৌদি কর্তৃপক্ষের মেইন সার্ভারের টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে সৌদি অংশের ইমিগ্রেশন শাহাজালালে করা সম্ভব হয়নি।’
কবে নাগাদ ঠিক হবে, সেই বিষয়ে জানতে চাইলে এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট করে তারা (সৌদি কর্তৃপক্ষ) বলতে পারছেন না, কবে নাগাদ ঠিক হবে। তবে দ্রুত ঠিক হয়ে যাবে বলে শুনেছি।’
এদিকে, বৃহস্পতিবার বিজি-৩১০১ সকাল ১১ টা ১৫ মিনিটে ৪১৭ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকা ছাড়ে। সেই ফ্লাইটের যাত্রীদেরও ঢাকায় ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। বিজি-৩২০১ ফ্লাইটি বেলা ৩ টা ১৫ মিনিটে ৪১৭ হজযাত্রী নিয়ে জেদ্দার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করে। এই ফ্লাইটের যাত্রীদেরও ঢাকায় ইমিগ্রেশন করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া, সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটের বিজি-৩৩০১ এবং রাত ৮টা ১৫ মিনিটের বিজি-০০৩৫ ফ্লাইটের যাত্রীদেরও ঢাকায় ইমিগ্রেশন সম্পন্ন হয়নি।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (হজ) এ বি এম আমিন উল্লাহ নূরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আজকে ঢাকায় সৌদি আরবের ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। আমরা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছি। এটি সৌদিআরবের নেটওয়ার্ক সমস্যা। গত রাত ১১টার দিকে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে সার্ভার ডাউন হয়ে গেছে। একই সমস্যা মালায়শিয়া, ইন্দোনিয়ায়ও হয়েছে। দ্রুত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে।’ দ্রুত সমস্যা সমাধান হলে ফের ঢাকায় ইমিগ্রেশন শুরু করা সম্ভব হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।








