প্রভাব খাটিয়ে নদী দখল করা যাবে না। নদী দখলকারীদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘জিরো টলারেন্স’ দেখিয়েছেন। শুধু নদী দখল নয়, যেকোনও ধরনের দখল ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা ‘জিরো টলারেন্স’ দেখিয়ে যাবো। অবৈধ দখল উচ্ছেদে আমরা কাজ করে যাচ্ছি; উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) বসিলায় পুনরুদ্ধার করা তুরাগ নদীর চ্যানেলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে গাবতলী ল্যান্ডিং স্টেশনে এসব কথা বলেন।
এসময় অন্যদের মধ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুস সামাদ এবং বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমডোর এম মাহবুব উল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম খানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, নৌ চ্যানেলটি দখল করে আমিন-মোমিন হাউজিং গড়ে উঠেছিল। বিআইডব্লিউটিএ এটি উদ্ধার করেছে। গত ৬ মার্চ থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনা করে ৫ লাখ ৩৫ হাজার ঘনমিটার মাটি খনন করে চ্যানেলটি খুলে দেওয়া হলো।
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নদীর নাব্যতা এবং স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে সরকার টাস্কফোর্স গঠন করেছে। ১৯৯৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার নদীতীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে কার্যক্রম শুরু করেছিল। বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এলে ওই কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।
তিনি বলেন, নদী রক্ষা ও দূষণরোধে এলজিআরডি মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ মন্ত্রণালয়, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন কাজ করছে। বিআইডব্লিউটিএ অপারেশনাল কাজে যুক্ত রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, নদী দখল, দূষণরোধ ও নৌপথ খননের মাধ্যমে বিভিন্ন দফতর ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয় তৈরি হয়েছে। সামনের দিকে কাজে আরও গতিশীলতা আসবে। নদীতীর দখল ও দূষণরোধে উচ্ছেদ কার্যক্রমে জনমত সৃষ্টিতে গণমাধ্যমকে তিনি ধন্যবাদ জানান।








